Monday, 18 March 2019

সিপিএমের একরোখা মনোভাবকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে একাই ভোট লড়ার সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের , এই রাজ্যে

ওয়েব ডেস্ক ১৮ই মার্চ ২০১৯:কংগ্রেসের হাত ধরে যদিওবা নিজেদের ভাবমূর্তি বদলাবার মরিয়া চেষ্টায় ছিল বামেরা সেটাই এখন অথৈজলে  । কারণ আসন্ন নলকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস একাই ৪২ টি আসনে লড়ার পরিকল্পনা নিয়েছে । এতে বামেদের অভূতপূর্ণ ক্ষতি বলে মনে করছেন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ত্বদের একাংশ । বামেদের এখন যা অবস্থা তার জন্য একমাত্র বামেরাই দায়ী । মানুষ বুঝতে শিখেছে বামেরা কি ক্ষতি বাংলার মানুষের করে গেছে বিগত ৩৪ বছরে । তাই সিপিএম এর খুবই ইচ্ছে ছিল কংগ্রেসের সাথে জোট করার , আবার আসন নিয়ে কোনো সমঝোতা করবেনা এই জেদটাও ছিল ।অবশেষে কংগ্রেসের রাজ্যসভাপতি সৌমেন মিত্রের বুদ্ধিতিপ্ত রাজনৈতিক সিদ্ধান্তে বামেরা কুপোকাত ।
প্রসঙ্গত এবার বাংলাতেও ভেস্তে গেল জোট প্রক্রিয়া। বামেদের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার পরও  সমাধান সূত্র না বের হওয়ায় কংগ্রেস রাজ্যে একাই লড়বে বলে জানা গিয়েছে। তার মানে আগামী মাস থেকে শুরু হতে চলা লোকসভা নির্বাচনে  এ রাজ্যে চারটি দলের মধ্যে লড়াই হওয়ার সম্ভবনা আরও কিছুটা বাড়ল। সংবাদ সংস্থা পিটিআইকে  প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি  সোমেন মিত্র জানান, নিজেদের সম্মান নষ্ট করে আমরা কোনও জোটে যাব না। কোন আসন থেকে কে লড়বেন আর কে লড়বেন না সেটা  বামেরা ঠিক করে দিতে পারে না। এ রাজ্যে আমরা নিজেদের শক্তিতেই লড়াই করবো। তবে বামেদের তরফ থেকে সরকারি ভাবে  কিছু জানান হয়নি। সিপিএম রাজ্য সম্পাদক  সূর্যকান্ত মিশ্র কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি। এ ব্যাপারে  সিদ্ধান্ত নিতে সোমবার বৈঠকে বসছে বামেরা।পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে  দিল্লি গিয়ে প্রার্থী নির্বাচনের (Election ) ব্যাপারে কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে  বৈঠক করবেন সোমেন। প্রতিটি কেন্দ্রের জন্য  তিন  জন  করে প্রার্থীর নাম  ঠিক করে দিল্লি যাচ্ছেন তিনি। কিন্তু কেন ভেস্তে গেল জোট? কংগ্রেসের একটি সূত্র বলছে, আলোচনা শেষ  হওয়ার আগেই  বামেরা যে ভাবে তালিকা প্রকাশ করেছে  তাতে  অপমানিত বোধ  করেছে কংগ্রেস। শুধু তাই নয় নিজেদের প্রার্থী তালিকায় কংগ্রেস নেতা  রেজাউল করিমের নাম  ঘোষণা করেছে বামেরা। বীরভূম আসন থেকে  তাঁর নাম ঘোষণা হয়েছে তবে তিনি কোন দলের প্রতিনিধি সেটা বামেদের তালিকায় উল্লেখ করা হয়নি। এটাতেই আপত্তি কংগ্রেসের। প্রদেশ সভাপতি বলেন, ওরা আমাদের প্রার্থীর নাম ঠিক করে কোন যুক্তিতে। দলের প্রবীণ নেতা  শুভঙ্কর সরকার বলেন, আমরা এমন একটা জোট চেয়েছিলাম যেখানে  দু' পক্ষেরই সম্মান থাকবে। কিন্তু সিপিএম সে পথে হাঁটল না।সিপিএম এক সময় কবি গুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বলেছিল বুর্জুয়া কবি মানে , যে ব্যক্তি নিজের ছাড়া কারুর সমন্ধে ভাবেনা ,আসলে সিপিএমই সব থেকে বড় বুর্জুয়া । মানুষ তখন বুঝতে পারেনি এখন বুঝতে পারছে ।

No comments:

Post a Comment

loading...