Wednesday, 27 March 2019

মমতা বন্দ্যবাধ্যায়ের আশ্বাস এসএসসি প্রার্থীদের , দরকারে আইনও বদল করা হবে

ওয়েব ডেস্ক ২৭শে  মার্চ ২০১৯:বাম ফ্রন্ট জমানায় কোনো সমস্যারই সমাধান করা হতনা। যেকোন আন্দোলনকে ভাঁড়িয়ে ভাঁড়িয়ে নিয়ে যাওয়া হত। সঙ্গে তখনকার সরকারের তীক্ষ্ণ দৃষ্টি থাকতো কি ভাবে সংঘবদ্ধ মানুষের জোটকে "ডিভাইড এন্ড রুলের " মাধ্যমে  ছত্রভঙ্গ করা যায়।অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিগত বাম সরকার তার সাফল্য পেয়েছিল । কিন্তু আজকের ইলেকট্রনিক মিডিয়ার যুগে মানুষের সমস্যা সারা বিশ্বে পৌছিয়ে যাচ্ছে , যা আশির দশকে বা নয়ের দশকের প্রথম দিকে ব্যাপক সুবিধে পেয়েছিল বাংলার সেসময়কার বাম নেতৃত্ব, কেননা দূরদরদর্শন ১ বা দুই ছাড়া কোনো টিভি চ্যানেলই ছিল না  ।
সঙ্গে ছিল আন্দোলনরত লোকেদের "আগ্রাসন "কমানোর মন্ত্র ।কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার আসার পর প্রতিটা সমস্যা মেটানোর চেষ্টা করা হয় আন্তরিক ভাবে এবং মানবিকতার দিকটা ভেবেই ।প্রসঙ্গত :‌ চাকরির আশায় এবং নিজেদের দাবিদাওয়া পূরণে ২৮ দিন ধরে অনশনে করছেন কয়েকশো এসএসসি চাকুরী প্রার্থী। বুধবার মেয়ো রোডে সেই এসএসসি চাকুরী প্রার্থীদের অনশনমঞ্চে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। অনশনরত চাকুরীপ্রার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। তাঁদের প্রতিশ্রুতি পূরণের আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি অনশন প্রত্যাহারের আর্জিও জানান। তিনি জানান, ‘আদর্শ ‌নির্বাচনী আচরণবিধি চালু হওয়ায় বর্তমানে রাজ্য সরকারের হাত–পা বাঁধা। রাজ্য সরকারের উপর ভরসা রাখুন। সরকার যে কমিটি তৈরি করেছে তাতে অনশনকারীদের মধ্যে থেকে তিনজন মহিলা এবং তিন পুরুষ মিলিয়ে মোট পাঁচজন থাকবে।’ তিনি আরও জানান, জুন মাসের প্রথম সপ্তাহেই ওই কমিটি বৈঠকে বসবে। আইন মেনেই কাজ হবে। প্র‌য়োজনে আইন পরিবর্তন করার আশ্বাসও দেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এর আগে ‌গত ২৩ মার্চ শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জি জানিয়েছিলেন অনশনরত এসএসসি চাকরি প্রার্থীদের দাবিদাওয়ার প্রতি সরকার মানবিক। তবে নিয়োগ হবে মেধাতালিকা, আইন মেনে। তিনি আরও জানিয়েছিলেন, পরের বছর থেকে এসএসসি–র নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও সরল করতে চায় রাজ্য। প্রতি বছর যাতে পরীক্ষা নেওয়া যায়, সে ব্যাপারে পরিকল্পনা করা হচ্ছে। অনশন তুলে নেওয়ার জন্য আবেদনও করেন পার্থবাবু। আন্দোলনকারীদের দাবি, অভিযোগ খতিয়ে দেখতে স্কুল শিক্ষা সচিব মণীশ জৈনের নেতৃত্বাধীন ৫ সদস্যের একটি কমিটি গড়ে রাজ্য। আর এদিন মমতা অনশনরত চাকরি প্রার্থীদের মধ্যে থেকে আরও পাঁচজনকে সেই কমিটিতে রাখার কথা ঘোষণা করলেন।‌‌আজ বাংলার মানুষ ভাগ্যবান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো একজন মুখ্যমন্ত্রী পেয়েছে , যিনি সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে আন্তরিক , আগের বাম ফ্রন্ট সরকার এমন ছিল কি ? এই প্রশ্নের কেন পুরুষ্কার নেই ।

No comments:

Post a Comment

loading...