Friday, 29 March 2019

সিপিএম , বিজেপি থেকে বিতাড়িত হয়ে শেষ পর্যন্ত কংগ্রেসে গিয়ে ঠেকলেন লক্ষণ শেঠ, লড়ছেন ভোটেও

ওয়েব ডেস্ক ২৯ শে  মার্চ ২০১৯:একসময় এই লক্ষণ শেঠকে কংগ্রেস কতই না সমালোচনা করেছে , কিন্তু আজ নিজেদের স্বার্থে এই লক্ষণ শেঠকেই নিজেদের দলে টেনে নিলো আদর্শের জলাঞ্জলি দিয়েই ।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া কোনো বঙ্গ রাজনীতিতে অন্য কোনো দল আদর্শের ধার ধারে কিনা সন্দেহ ।  প্রসঙ্গত একসময়ের দাপুটে সি পি আই ( এম ) নেতা , তমলুকের অবিসংবাদিত নেতা লক্ষ্মণ শেঠ পার্টি থেকে বহিষ্কৃত হন। সেটা ছিল ২০১৪ সাল। ২০০৭ সালে নন্দীগ্রামে কৃষকদের উপর যে ভয়াবহ হিংসার ঘটনা ঘটে তার মূল অভিযুক্ত ছিলেন তিনি। এরপর পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে অনেক জল গড়িয়েছে , অবসান ঘটেছে ৩৪ বছরের বাম শাসনের ।
পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য কে আক্রমণ করে নানা মন্তব্য ও সমালোচনার পর পার্টি আর তাঁকে কোনওভাবে সহ্য করেনি। বহিষ্কার করে। বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে স্বৈরতান্ত্রিক বলেন তিনি।এরপর রাজনৈতিক পরিয়চয় বজায় রাখতে বি জে পি -তে যোগ দেন তিনি ! সেই বি জে পি থেকেও বহিষ্কৃত হয়েছেন। এবার তাঁর মাথার উপর ছাতা ধরেছে কংগ্রেস। তিনি কংগ্রেসে যোগ দিলেন। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র বলেন — ‘ আমরা কংগ্রেসে লক্ষ্মণকে স্বাগত জানাই। আমাদের দলের সভাপতি রাহুল গান্ধী ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন তমলুক সংসদীয় আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তিনি। ‘ উল্লেখ্য সি পি আই এম -এ থাকাকালীন এই আসন থেকে পরপর ৩ বার জয়ী হন তিনি।সি পি আই এম থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর লক্ষ্মণ শেঠ ভারত নির্মাণ পার্টি গঠন করেন। এই রাজ্যের রাজনীতিতে অবশ্য এই দল ব্যর্থ হয়। এরপর ২০১৬ সালে বি জে পি -তে যোগ দেন তিনি , ২০১৮ বি জে পি -ও তাঁকে বহিষ্কৃত করে।এবার কংগ্রেসের টিকিটে যদি জিতে যান তো ভালো , না হলে এখান থেকে বহিষ্কার হওয়া শুধু সময়ের অপেক্ষা । 

No comments:

Post a Comment

loading...