Monday, 4 March 2019

উপগ্রহ চিত্রই একমাত্র রাস্তা মোদী সরকারের ,নিজেদের দাবিকে মান্যতায় পরিণত করার

ওয়েব ডেস্ক ৪রা মার্চ ২০১৯: উপগ্রহ চিত্রই একমাত্র ভরসা ঠিক কতটা ক্ষয়ক্ষতি হয়ে ছিল বালাকোটে যখন ভারতের যুদ্ধ বিমান বোমা ফেলে । সরকার এখনো কোনো চিত্র প্রকাশ্যে  না আনাতে সরকারের প্রতি চাপ বাড়িয়েছে বিরোধীরা , কিন্তু তাতে কোনো করেন পাট করেননি মোদীজি । এমতবস্তায় ২৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের বালাকোট, খাইবার পাখতুনখোয়ায় ভারতীয় বায়ুসেনার বিমানহানার প্রমাণ মিলতে পারে উপগ্র চিত্রে।মমতা ব্যানার্জি সহ বিরোধী নেতানেত্রীরা বিমানহানার জন্য বায়ুসেনাকে অভিনন্দন জানালেও, ২৬ ফেব্রুয়ারির ঠিক কী ঘটেছিল তার তথ্য প্রকাশ করতে বলেছেন কেন্দ্রীয় সরকারকে।
২৬ ফেব্রুয়ারি নিয়ন্ত্রণরেখা অতিক্রম করে ১২টি মিরাজ ২০০০ পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে ঢুকে জৈশের ঘাঁটিগুলির ছয়টি বাড়ি উড়িয়ে দিয়েছিল ইজরায়েলে তৈরি স্পাইস ২০০০ গ্লাইড বোমা মেরে। এমনটাই দাবি করা হয়েছিল সূত্রের তরফে। ভোর সাড়ে তিনটে থেকে টানা ২১ মিনিট ধরে চলেছিল বোমাবর্ষণ। কিন্তু একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, বালাকোটের কাছে বিসিয়ান শহরের পাহাড়ি এলাকায় মাত্র পাঁচটি বাড়িতে পড়েছিল স্পাইস ২০০০ গ্লাইড বোমা। এই ইজরায়েলি বোমাগুলি বাড়ি, বাঙ্কার বা ছাউনির ছাদে ছোট ফুটো করে সোজা ভিতরে ঢুকে তাদের ভিতরের জিপিএস–এ নির্দিষ্ট করা লক্ষ্যমাত্রা পর্যন্ত প্রথমে ছুটে যায়। তারপর যে লক্ষ্যমাত্রাটি তাদের জিপিএস–এর সঙ্গে মেলে সেটির একদম ভিত ফুঁড়ে মাটির ভিতর ঢুকে ভেদ করে। আর এধরনের বোমা ফাটলে কোথাও ফাটল ধরে না, বরঞ্চ পুরো কাঠামোটাই সম্পূর্ণ মাটির ঢিপিতে রূপান্তরিত হয়।এদিকে বিশিষ্ট সাংবাদিক তহা সিদ্দিকি একটি অডিও টেপ সম্পর্কে লিখেছেন। সেটি  হামলার দু'দিন বাদে রেকর্ড হয়েছে।  তাতে জইশের তরফ থেকে ভারতের হামলার প্রসঙ্গ স্বীকার করে নেওয়া হয়েছে। ইতালির এক  সাংবাদিকও দাবি করেছেন ভারতের আঘাত হানা  জায়গা থেকে কয়েকটি দেহ সরিয়ে নিয়ে যাওয়া  হয়েছে।       

No comments:

Post a Comment

loading...