Sunday, 3 March 2019

বিবিসির সাংবাদিক পাকিস্তানের বিদেশ মন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশিকে রীতিমত নাচিয়ে ছেড়ে দিলেন ,পড়ুন

ওয়েব ডেস্ক ৩রা মার্চ  ২০১৯: বিবিসির সাংবাদিকের সামনে রীতি মত কালঘাম ছুটে গেল
পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কুরেশির ।তিনি হয়তো কস্মিনকালেও ভাবেননি এরকম পরিস্তিতির সম্মুখহীন হতে হবে ।শুধু তাই নয় দুঃস্বপ্নেও এরকম পরিস্তিতির সম্মুখীন হতে চাইবেননা।সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে একটি প্রশ্নের সামনে এসেই থমকে গেলেন তিনি।  প্রায় স্বীকারই করে নিলেন যে, তাঁর সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ নেতৃত্বের। বিবিসির হয়ে সাক্ষাৎকার নিচ্ছিলেন যিনি, তিনি পালটা প্রশ্ন করেন পুলওয়ামার জঙ্গি হানার পর কে যোগাযোগ করেছিলেন জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে, তারপর আরও খেই হারিয়ে ফেলেন পাক বিদেশমন্ত্রী।

প্রথমে আমতা আমতা করতে থাকেন, তারপর অস্পষ্ট উত্তর দিতে থাকেন। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্পর্কের উন্নতি নিয়ে কী ভাবছেন তিনি, পুলওয়ামার সাম্প্রতিক জঙ্গি হানাকে ইঙ্গিত করে এই প্রশ্ন করেন বিবিসির সাংবাদিক। প্রসঙ্গত, ওই জঙ্গি হানার দায় স্বীকার করে নিয়েছিল জইশ-ই-মহম্মদ। বিবিসির সাংবাদিকও সেই কথাই জানান। শাহ মেহমুদ কুরেশি তৎক্ষণাৎ তাঁকে থামিয়ে দিয়ে বলেন, “আমরা বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত নই”।
সাংবাদিক পালটা প্রশ্ন করেন, “আপনি নিশ্চিতভাবে এ কথা বলতে পারেন যে, জইশ-ই-মহম্মদের ঘাঁটি নেই পাকিস্তানে? ওরা কিন্তু এই হামলার দায় স্বীকার করে নিয়েছে ইতিমধ্যেই”।

“না। ওরা করেনি। এই ব্যাপারে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে। যখন জইশ নেতৃত্বের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল, তখন তারা জানিয়েছিল যে, তারা এই কাজ করেনি”, উত্তর দেন পাক বিদেশমন্ত্রী।

“কে যোগাযোগ করেছিল?”, পাল্টা প্রশ্ন করেন বিবিসির সাংবাদিক। ঠিক এই জায়গা থেকেই পাক বিদেশমন্ত্রী রীতিমত তোতলাতে আরম্ভ করেন।

“কে…কে…এখানকার মানুষরাই। ওরাই তো বলল যে, জইশ অস্বীকার করেছে। ওরা অস্বীকার করেছে। সেখান থেকেই তো অনিশ্চয়তাটা তৈরি হল”, স্পষ্টতই ওই সময় শব্দ খুঁজে বেড়াচ্ছিলেন পাক বিদেশমন্ত্রী।

“আসলে মানুষই বলেছে, মানে, যারা ওদের চেনে, তারাই তো বলল যে, ওরা বলেছে, ওদের এতে কোনও ভূমিকা নেই”, তিনি যোগ করেন। এই ভাবে কতদিন মাসুদ আজহার কে পাকিস্তান লুকিয়ে রাখতে পারবে ? প্রশ্ন থেকেই গেল ।

No comments:

Post a Comment

loading...