Monday, 1 April 2019

যোগী আদিত্যনাথ সেনা বাহিনীকে "মোদীজির সেনা " বলে সম্মোধন করায় তীব্র প্রতিক্রিয়া রাজনৈতিক মহলে

ওয়েব ডেস্ক ১লা এপ্রিল  ২০১৯: সেনাবাহিনী দেশের জন্য , নরেন্দ্র মোদী বা তার বিজেপি পার্টির কোনো ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয় , এটা যোগী আদিত্যনাথের মনে রাখা  দরকার । উনি যেভাবে সেনাবাহিনীকে মোদীজির ব্যক্তিগত সম্পত্তি বানিয়ে ফেলছেন নিজের বক্তিতায় ,সে দিন আর বেশি দূরে নেই যখন তাকে বিপ্লব দেবের সঙ্গে তুলনা করা হবে । এতে যোগী আদিত্যনাথের সন্মান কমবে বই বাড়বেনা । প্রসঙ্গত গাজিয়াবাদের নির্বাচনী সভা  থেকে ভারতীয় সেনার কথা বলতে গিয়ে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী  ‘মোদীজির সেনা' কথাটির ব্যবহার করেছেন। তাছাড়া ভাষণে একাধিকবার ‘ কংগ্রেসের লোক' শব্দটিও প্রয়োগ করেছেন যোগী।তিনি বলেন, 'কংগ্রেসের লোকেরা জঙ্গিদের বিরিয়ানি খাওয়াত।
আর মোদীজির সেনা সন্ত্রাসবাদীদের উদ্দেশে শুধু গুলি খরচ করে। এটাই ফারাক।' কংগ্রেসের লোকজন মাসুদ আজাহারকে সম্বোধন করে ‘জি' শব্দ ব্যবহার করেন আর ঘরে ঢুকে আক্রমণ করে জঙ্গিদের দুর্বল করে দিচ্ছে  বিজেপির সরকার।যেটা কংগ্রেসের কাছে অসম্ভব ছিল মোদীজি সেটাকেই সম্ভব করে দেখিয়েছেন। তিনি নিজের মতো করে যা ভেবে ছেন বলেছেন কিন্তু যোগী আদিত্যনাথের  এই ‘মোদীজির সেনা' , এই  শব্দে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । কংগ্রেসের তরফ থেকেও নিন্দা করা হয়েছে তার এহেন মন্তব্যের জন্য ।বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যে শব্দ ব্যবহার করেছেন সেটা ভারতীইয় সেনা বাহিনীর কাছে  অবমাননাকর। কংগ্রেসের তরফে প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী বলেছেন, যোগীর ক্ষমা চাওয়া উচিত। এটা ভারতের সশস্ত্র বাহিনীকে অপমান করার নামান্তর। সশস্ত্র বাহনী ভারতের বিষয়,কোনও দলের ব্যক্তিগত নয়। আদিত্যনাথের ক্ষমা চাওয়া উচিত। এর আগে জইশ-ই- মহম্মদের প্রধান মাসুদ আজাহারকে পাকিস্তানে ফেরত পাঠান নিয়ে বিজেপির দিকে প্রায় একই অভিযোগ তুলেছিল কংগ্রেস। সভাপতি রাহুল গান্ধী;সভা থেকে  এ নিয়ে সরব  হন। তাছাড়া এ প্রসঙ্গে  জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা  অজিত দোভালের একটি পুরনো সাক্ষাৎকারকে হাতিয়ার করে কংগ্রেস। তাদের দাবি ২০১০ সালের ওই সাক্ষাৎকারে দোভাল ১৯৯৮ সালের কান্দাহার কাণ্ডে মাসুদকে ছাড়ার প্রসঙ্গে তৎকালীন বিজেপি সরকারের সমালোচনা করেন। কংগ্রেস মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওয়ালা বলেন, অজিত দোভাল বলেছেন মাসুদকে ছেড়ে দেওয়া একটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ছিল।

No comments:

Post a Comment

loading...