Friday, 19 April 2019

তার অভিশাপেই হেমন্ত কারকারের মৃত্যু হয়েছিল জঙ্গিদের হাতে :বিজেপি প্রার্থী সাধ্বী প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর

ওয়েব ডেস্ক ১৯ই এপ্রিল ২০১৯: একের পর এক ভিত্তিহীন বিস্ফোরক কথা বলেই যাচ্ছেন বিজেপি প্রার্থী সাধ্বী প্রজ্ঞা সিং ঠাকুর।সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই উক্তি করেছেন , যদি এতই সস্তায় প্রচার পাওয়ার ইচ্ছে , তাহলে রাজনীতিতে এলেন কেন ,সাধ্বী প্রজ্ঞা, কোনো নাটক কোম্পানিতে নাম লেখাতে পারতেন ।প্রসঙ্গত তিনি দাবি করেন  মালেগাঁও বিস্ফোরণ মামলায় তাঁকে মিথ্যা ফাঁসানোর অপরাধেই বেঘোরে মরতে হয়েছে মুম্বইয়ের এটিএস প্রধান হেমন্ত কারকারেকে।তিনি দাবি করেন যে তাঁরই অভিশাপের কারণে এমন পরিণতি হয়েছিল এটিএস প্রধানের।

ভোপালের লোকসভা প্রার্থী সাধ্বী প্রজ্ঞা জানান, তাঁকে মালেগাঁও মামলায় মিথ্যাভাবে জড়ানোর জন্য তিনি হেমন্ত কাররারেকে অভিশাপ দিয়েছিলেন যে সর্বনাশ হবে এটিএস প্রধানের। এরপরই হেমন্ত কারকারের অকাল মৃত্যু হয়। ২০০৮ সালে মালেগাঁও বিস্ফোরণ কাণ্ডে মোট ৭ অভিযুক্তের মধ্যে প্রজ্ঞার নামও যুক্ত হয়। সাধ্বীর অভিযোগ, মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার নির্দেশ এলেও তাঁকে ছাড়তে রাজি হননি তদন্তের নেতৃত্বে থাকা কারকারে। তাঁর দাবি, যেনতেন প্রকারে তাঁকে সন্ত্রাসবাদী সাজানোর চেষ্টা করেছিলেন তিনি। প্রজ্ঞা বলেন, ‘‌হেমন্ত কারকেরেকে আমি বলি যে আমার বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ না পেলে আমায় ছেড়ে দেওয়া হোক। কিন্তু হেমন্ত জানান যে তিনি প্রমাণ জোগাড় করে নিয়ে আসবেন কিন্তু আমায় ছাড়বেন না। আমি তাঁকে তখন বলি তোর সর্বনাশ হবে।’‌ এর কয়েক দিন পরেই মুম্বইয়ে সন্ত্রাসবাদী হামলায় গুলি লেগে নিহত হন হেমন্ত কারকারে।
বিজেপিতে সদ্য যোগ দেওয়া সাধ্বী প্রজ্ঞা জানান, হেমন্ত কারকারে তাঁকে বেশ কিছু অশ্লীল ভাষায় অপমানও করেছিলেন। ২০০৮ সালের নভেম্বরে মুম্বই হামলার সময় অন্য দুই পুলিস অফিসারের সঙ্গে নিহত হন হেমন্ত কারকারে। বিজেপিতে যোগ দিয়েই প্রজ্ঞা লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন ভোপাল থেকে। নির্বাচনী ময়দানে তাঁকে লড়তে হবে ঝানু কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিংয়ের বিরুদ্ধে। উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রচারে ক্রমাগত মালেগাঁও কাণ্ডে অভিযুক্ত হওয়ার পরে নিজের হেনস্থার কথা তুলে ধরছেন প্রজ্ঞা। যদি এসব করে লোকসভার বৈতরণী পার করা যায় ভোপালের লোকসভা প্রার্থী সাধ্বী প্রজ্ঞা জানান, তাঁকে মালেগাঁও মামলায় মিথ্যাভাবে জড়ানোর জন্য তিনি হেমন্ত কাররারেকে অভিশাপ দিয়েছিলেন যে সর্বনাশ হবে এটিএস প্রধানের। এরপরই হেমন্ত কারকারের অকাল মৃত্যু হয়। ২০০৮ সালে মালেগাঁও বিস্ফোরণ কাণ্ডে মোট ৭ অভিযুক্তের মধ্যে প্রজ্ঞার নামও যুক্ত হয়। সাধ্বীর অভিযোগ, মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার নির্দেশ এলেও তাঁকে ছাড়তে রাজি হননি তদন্তের নেতৃত্বে থাকা কারকারে। তাঁর দাবি, যেনতেন প্রকারে তাঁকে সন্ত্রাসবাদী সাজানোর চেষ্টা করেছিলেন তিনি। প্রজ্ঞা বলেন, ‘‌হেমন্ত কারকেরেকে আমি বলি যে আমার বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ না পেলে আমায় ছেড়ে দেওয়া হোক। কিন্তু হেমন্ত জানান যে তিনি প্রমাণ জোগাড় করে নিয়ে আসবেন কিন্তু আমায় ছাড়বেন না। আমি তাঁকে তখন বলি তোর সর্বনাশ হবে।’‌ এর কয়েক দিন পরেই মুম্বইয়ে সন্ত্রাসবাদী হামলায় গুলি লেগে নিহত হন হেমন্ত কারকারে।
বিজেপিতে সদ্য যোগ দেওয়া সাধ্বী প্রজ্ঞা জানান, হেমন্ত কারকারে তাঁকে বেশ কিছু অশ্লীল ভাষায় অপমানও করেছিলেন। ২০০৮ সালের নভেম্বরে মুম্বই হামলার সময় অন্য দুই পুলিস অফিসারের সঙ্গে নিহত হন হেমন্ত কারকারে। বিজেপিতে যোগ দিয়েই প্রজ্ঞা লোকসভা নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন ভোপাল থেকে। নির্বাচনী ময়দানে তাঁকে লড়তে হবে ঝানু কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিংয়ের বিরুদ্ধে। উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রচারে ক্রমাগত মালেগাঁও কাণ্ডে অভিযুক্ত হওয়ার পরে নিজের হেনস্থার কথা তুলে ধরছেন প্রজ্ঞা। বৃহস্পতিবার এক জনসভায় তিনি জেলে পুলিশের অত্যাচারের কথা বলতে বলতে কেঁদে ফেলেছিলেন।যদি এসব করে লোকসভার বৈতরণী পার করা যায় ।

No comments:

Post a Comment

loading...