Saturday, 18 May 2019

চক্রান্ত করেই তেজবাহাদুরের মনোয়ন পত্র বাতিল করানো হয়েছে , স্টিং অপেরেশনে যা উঠে এলো তা রীতিমতো চমকিয়ে ওঠার মতো

ওয়েব ডেস্ক ১৮ই মে ২০১৯:নির্বাচন কমিশনকে দেখে মনে হচ্ছে তারা বিজেপির অঙ্গুলিহেলনে চলছে । বিজেপি যা চাইছে সেটাই যেন করিয়ে নেওয়া হচ্ছে নির্বাচন কমিশনের কাছ থেকে । এবার নরেন্দ্র মোদিকে জেতাতে তার পথের কাঁটাও নিয়ম বহির্ভূত ভাবে উপরে ফেলতেও কসুর করেনি নির্বাচন কমিশন ।প্রসঙ্গত  চক্রান্ত করেই বাতিল করা হয়েছে সীমান্তরক্ষী তেজ বাহাদুরের মনোনয়ন পত্র।কিন্তু, কীভাবে বাতিল হল তেজবাহাদুরের মনোনয়ন?‌ টিভি চ্যানেলের স্টিং অপারেশনে ধরা পড়েছে, নিয়মবহির্ভূত ভাবে মনোনয়ন বাতিলে হস্তক্ষেপ করেন নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষক প্রবীন কুমার। নিয়ম অনুযায়ী, মনোনয়ন খামতি থাকলে একবার মাত্র নোটিস দেওয়া হয়। কিন্তু, তেজবাহাদুরকে দু-‌বার নোটিস দেওয়া হয়েছিল। এই প্রসঙ্গে উত্তরপ্রদেশ রাজ্য নির্বাচন দপ্তরের ডেপুটি সিইও ইন্দ্রভূষণ বর্মা বলছেন, ‘‌পর্যবেক্ষক কোনও প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলে হস্তক্ষেপ করতে পারেন না। তাঁর ভূমিকা শুধুই পর্যবেক্ষণ।’‌
নিয়ম অনুযায়ী, দেশদ্রোহ বা দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত কোনও প্রার্থীর মনোনয়ন পত্রের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের ছাড়পত্র দিতে হয়। তেজবাহাদুর এই দুটির কোনও অভিযোগেই বরখাস্ত হননি। জেলা রিটার্নিং আধিকারিকের প্রথম নোটিসের জবাবে সেকথা জানিয়েছিলেন তিনি। তেজবাহাদুরের আইনজীবী রাজেশ গুপ্তার অভিযোগ, কমিশনের সব নিয়ম মেনে মনোনয়ন পত্র পেশ করা হযেছিল।

রিটার্নিং অফিসার বারাণসীর জেলাশাসক সুরেন্দ্র গুপ্তা তা গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু, তাতে হস্তক্ষেপ করেন নির্বাচন কমিশনের পর্যবেক্ষক। ৫ বছরের কম সময়ে বরখাস্ত হলে, শুধুমাত্র বরখাস্তের প্রমাণ জমা দিতে হয়। হলফনামায় তা জানিয়ে দ্বিতীয়বার মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছিলেন তেজবাহাদুর। কিন্তু, এর ৫ ঘণ্টা পর দ্বিতীয় নোটিস দেওয়া হয়। শেষ দিন সন্ধ্যা ছ’‌টায়। তাতে বলা হয়, নির্বাচন লড়তে হলে পরদিন সকাল ১১টার মধ্যে ছাড়পত্র আনতে হবে। যা প্রায় অসম্ভব ছিল। তা সত্ত্বেও রাতেই কমিশনে পৌঁছন তেজবাহাদুরের আইনজীবী নীতিন মিশ্র।

অভিযোগ, তাঁকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। পরদিন সকালে কমিশনে গিয়ে কমিশনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলানো হয়। কিন্তু, তাতেও কাজ হয়নি। বারাণসীর রিটার্নিং অফিসার সুরেন্দ্র গুপ্তা বলেছেন, ‘‌তেজবাহাদুর তো বলেই চলেছিলেন তিনি আইনের ধারার আওতায় পড়েন না। তারপর দ্বিতীয় নোটিস দেওয়া হয়েছিল।’‌

সোশ্যাল মিডিয়ায় নিম্ন মানের খাবারের অভিযোগ তুলে ভিডিও পোস্ট করে বরখাস্ত হয়েছিলেন বিএসএফ জওয়ান তেজবাহাদুর যাদব। বারাণসীর ভোটে তাঁকেই মহাজোটের প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছিল সমাজবাদী পার্টি, বহুজন সমাজ পার্টি ও রাষ্ট্রীয় লোকদলের জোট।

No comments:

Post a Comment

loading...