Tuesday, 14 May 2019

রাজ্যের দায়িত্বে না এসেই এতো স্পর্ধা বিজেপির ? কমিশনের পাঠানো গাড়ি দেদার ভাংচুর চালালো ,পড়ুন

ওয়েব ডেস্ক ১৪ই মে ২০১৯:রাজ্যের মসনদে আসবার  আগেই যদি আইন  ভাঙ্গাটা অভ্যেসে পরিণত করে বিজেপির কর্মকর্তারা তাহলে রাজ্যের দায়িত্বে আসলে এরা কি করবে ? প্রশ্নটা অবাক লাগলেও এটাই সত্যি বিজেপির কর্মীরা নির্বাচন কমিশনের কাজেও বাধা দিতে পিছপা হচ্ছেননা । যদি অমিত শাহেরা বলেন তারা কিছুই জানেনা , বা কর্মকর্তারা তাদের আয়ত্তের বাইরে তাহলে দায়টা তাদের থেকে এক চুলও কমেনা । প্রসঙ্গত সরকারি সম্পত্তিতে দলীয় প্রচারসামগ্রী লাগানোয় কলকাতার লেনিন সরণি থেকে বিজেপির ফ্লেক্স খুলে নিতে যায় নির্বাচন কমিশন।
কিন্তু ঘটনাস্থলে গিয়ে কমিশনের কর্মীরা ফ্লেক্স খোলার কাজ শুরু করতেই বচসা বাঁধে উপস্থিত বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে। এমনকী কমিশনের পাঠানো গাড়িতে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগও ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে।মঙ্গলবার বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহর রোড শো-কে কেন্দ্র করে ধর্মতলায় ফ্লেক্স টাঙিয়ে ছিল বিজেপি। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সরকারি সম্পত্তি থেকে সেই সমস্ত দলীর প্রচারের সামগ্রী সরিয়ে নিয়ে গাড়ি নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছান কমিশনের কর্মীরা। কিন্তু কয়েকটা ফ্লেক্স সরানোর পরই উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে বচসার বাঁধে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মীদের। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে কথা কাটাকাটির পর ফ্লেক্স খুলতে আসা গাড়িগুলিকে আটকে রাখা হয়। এর পর সেই গাড়িতে ভাঙচুরের অভিযোগও ওঠে।প্রশাসনিক সূত্রে খবর, মেট্রো চ্যানেল থেকে বিবেকানন্দ রোড পর্যন্ত রোড শো করার অনুমতি দেওয়া হয় বিজেপিকে। কিন্তু সেনাবাহিনীর অনুমতি নিয়েই বিজেপি নেতৃত্ব শহিদ মিনার থেকে ওই রোড শোয়ের বন্দোবস্থ শুরু করেন। বিতর্ক বাঁধে এখানেই। পুলিশের অনুমতি ব্যতিরেকে শহিদ মিনার থেকে রোড শো করা যাবে না বলে জানিয়ে দেয় প্রশাসন। এ ক্ষেত্রে বিজেপি নেতৃত্বের গাফিলতিকে দায়ী করে প্রশাসন।গাফিলতি যে একটা ছিলই বিজেপিও সেটা কখনই অস্বীকার করতে পারেনা ।

No comments:

Post a Comment

loading...