Thursday, 2 May 2019

গাদ্দারদের টিকিট পাওয়ার কোনো যৌক্তিকতা নেই বলেই মনে করেন মমতা , বেনো জলেরও কোনো জায়গা নেই ।

ওয়েব ডেস্ক ২রা মে ২০১৯: তার দলে গদ্দারদের যে কোনো স্থান নেই সেটা ভাটপাড়ার প্রচারে এসে বুঝিয়ে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । তিনি একেবারে নিচুস্তর থেকে সংগ্রাম করে ওপরে উঠে এসেছেন , তিনি ভালো ভাবেই জানেন সততার কোনো বিকল্প কিছু হয়না তাই হয়তো তিনি বললেন ‘‌একটা–দুটো গদ্দার সব জায়গাতেই থাকে। তাদের টিকিট দিই না। এখানে দুজন গদ্দার অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। এখানকার গদ্দারকেও টিকিট দিইনি। বাবা, ছেলের জমানত জব্দ করে দিন।’। দীনেশ ত্রিবেদীর হয়ে প্রচার করতে এসে তিনি আরো বলেন  ‘‌বাংলায় গুন্ডাগিরি বা গদ্দারি চলবে না। কিছু লোকের কিছুতেই মন ভরে না। সব একাই নিতে চায়।’ দিন কয়েক আগে রাজ্যে প্রচারে এসে নরেন্দ্র মোদি বলেছিলেন তৃণমূলের ৪০ জন বিধায়ক বিজেপির সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। সেই প্রসঙ্গ তুলে এদিন মোদিকে আক্রমণ করে মমতার প্রশ্ন একজন প্রধানমন্ত্রী হয়ে কীভাবে ঘোড়া কেনাবেচার কথা বলতে পারেন মোদি। লোকসভা ভোটের প্রচারে এসে কীভাবেই বা বিধানসভা ভোটের প্রচার করতে পারেন তিনি।
এরপর পলতায় দ্বিতীয় নির্বাচনী জনসভায় গিয়ে মমতা ব্যানার্জি বললেন, বাংলায় এখন কৃষকদের রোজগার তিনগুণ হয়ে গিয়েছে। পলতাতেও মোদিকে ঠুকে তৃণমূল সুপ্রিমোর কটাক্ষ, ‘মোদি বলছেন, তিনি এবার জিতলে ২০২২–এ কৃষকদের রোজগার দ্বিগুণ হয়ে যাবে। ভোটের সময় মিথ্যা প্রচার করছেন মোদি।’ গত ৩৪ বছরে বাংলায় সেভাবে কোনও উন্নয়ন না হওয়ার কথা উল্লেখ করে মমতা বললেন, তৃণমূল রাজ্যে‌ সুলভ শৌচাগার, বাসস্টপে গানের ব্যবস্থা, স্কুলের সামনে অভিভাবকদের জন্য গাছতলায় বসার স্থান তৈরি করেছে। ২৯ টাকায় চাল কিনে জনগণকে তা দুটাকা কিলো দরে বিক্রি করতে গিয়ে বাকি ২৭ টাকা সরকারকে নিজের থেকে দিতে হলেও গরিব মানুষদের কথা ভেবে তাই করছে রাজ্য সরকার।তিনি যে গরিব মানুষের পাশেই আছেন তার কথাতেই পরিষ্কার ।

No comments:

Post a Comment

loading...