Wednesday, 19 June 2019

নিজের দলের অপকর্মকারীদের কি ভাবে শাসন করতে হয় মমতার কাছে বামেদের আর লাল-বিজেপির শেখা উচিত

ওয়েব ডেস্ক ১৯ই  জুন ২০১৯:  নিজেরদের দলীয় কর্মীদের দোষ ঢাকার জন্য বিগত বাম জমানার কমরেডরা কি বলতেন ? এরকম কাজ আমাদের সরকারের আমলে হয়না আর হবেনা । সে যতই কোনো ব্যক্তি বলার চেষ্টা করুকনা কেন বাম দলের মধ্যে অবশ্যই বেনোজলে রয়েছে । আর যদি কোনো ব্যক্তি প্রমাণ স্বরূপ দেখাতে পারতো বাম ফ্রন্ট সরকারের  প্রশাসনিক গাফিলতির জন্যই তার ক্ষতি হয়েছে তখন সুচতুর কমরেডরা মুখ বন্ধ করে থাকাটাই শ্রেয় মনে করতেন । আর এই সব ট্যাক্টিস শেখানো হতো সিপিএমের পার্টি অফিসে ।
সমস্যার সমাধান না করে কি ভাবে সেটা ধামা চাপা দেওয়া যায় সেটাই জীবনের মূল মন্ত্র করে ফেলেছিল বিগত বাম সরকার । তাদের কাছে অলিখিত ভাবে একটাই মন্ত্র ছিল , যত সমস্যাটা জিইয়ে রাখা যাবে তত আন্দোলন তৈরী হবে তত লোক নিজেদের পতাকা তোলে আসবে । এতে প্রথম দিকে সাফল্য পেলেও মানুষ যখন বুঝতে পারল চালাকিটা তখনই তৃণমূলের উত্থান । আর সততার প্রতীক যে মমতা সেটা আরো একবার প্রমাণিত হল । প্রসঙ্গত মঙ্গলবার দলীয় কাউন্সিলারদের নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন তৃণমূলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ দিন তিনি প্রকাশ্যে দলীয় কাউন্সিলারদের জোর ধমক দেন। বলেন, “কেউ টাকা নিয়ে থাকলে ফেরত দিন, নচেত তদন্তের মুখোমুখি হতে হবে”।মমতা এ দিন জানান, “রাজ্য সরকার দুর্নীতি দমনে নতুন পরিকাঠামো তৈরি করছে। ফলে সরকারি প্রকল্পের টাকা নয়ছয় করলে বা নিয়ম বহির্ভূত কাজে জড়িত থাকলে কাউন্সিলারদেরও তদন্তের মুখোমুখি হতে হবে”।লোকসভা ভোটের পর সিঙ্গুরে গিয়েও একই ভাবে মমতা অভিযোগ করেছিলেন, দলের কোনো কোনো নেতা কাটমানি নেন। যে কারণে সাধারণ মানুষের কাছে দলের ভাবমূর্তি নষ্ঠ হচ্ছে। প্রভাব পড়ছে ভোটের বাক্সেও। এ দিন আরও চড়া সুরে তিনি বলেন, “সাধারণ মানুষের টাকা নিয়ে খাকলে এখনই ফেরত দিন। তিনি দাবি করেন, তাঁর কাছে খবর রয়েছে, কোনো কোনো কাউন্সিলার সরকারি প্রকল্পের টাকাতেও ভাগ বসাচ্ছেন”।এতটা স্পষ্টবাদী , আর জনদরদী সারা বাংলা তথা ভারতে কেউ আছে ? যারা ভোট দিতে যান তারা কি কখনো ভেবে দেখেছেন ? এখন এরকম কথাই চাঊর হচ্ছে সর্বত্র ।

No comments:

Post a Comment

loading...