Friday, 28 June 2019

পুলিশকে মারাই কি বিজেপির একমাত্র "টার্গেট" বাংলায় ? পড়ুন

ওয়েব ডেস্ক ২৯শে  জুন ২০১৯: বাংলায় বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ পুলিশকে মারার কথা বলেছিলেন প্রকাশ্যে , যা নিয়ে রীতিমতো তোলপাড় হয়েছিল বঙ্গ রাজনীতি । তবে এ নিয়ে বিজেপির যে  অনুশোচনা হয়েছে এটা মনে করে মূর্খামি । তাদের 'রনং দেহি' মনোভাবই বলে দিচ্ছে , দিলীপ ঘোষের কথা তারা অক্ষরে অক্ষরে মেনে চলতে বদ্ধপরিকর ।  প্রসঙ্গত গোলমালের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে বিপাকে পুলিশ। গোলমাল থামাতে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি, পুলিশের ওপর চড়াও হয়ে চলে মারধর।

ব্যাপক ভাঙচুর চালানো হয় পুলিশের গাড়িতে। অভিযোগ, পুলিশ কর্মীর সার্ভিস রিভলভার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা, চলল গুলি। গুলিতে আহত হয়েছেন সাতুরিয়া গ্রামের জয়চাঁদ মালিক। তাকে চুঁচুড়া ইমামবাড়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার রাতে ঘটনাকে কেন্দ্র করে অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে গুড়াপের সাতুরিয়া গ্রাম। ঘটনার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকালে বিজেপি–‌র থানা ঘেরাও কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে পরিস্থিতি আরও উত্তাল হয়ে ওঠে। আবার শুরু হয় পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, থানা লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি। পরিস্থিতি সামাল দিতে চলে কাঁদানে গ্যাস, রণক্ষেত্রের চেহারা ধারণ করে গুড়াপ থানা চত্বর। বিজেপি–‌র নেতৃত্ত্বে শুরু হয় রাস্তা অবরোধ।
ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার রাতে। অভিযোগ গুড়াপের বাথানগরিয়ার আসপাড়ায় বিজেপি সমর্থক সাধন বাউল দাসকে দুষ্কৃতীরা টাঙ্গি, কুড়ুল দিয়ে মারধর করে। গুরুতর জখম সাধন বাবুকে ধনিয়াখালি গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে তাঁকে ইমামবাড়া জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। ঘটনার খবর পৌঁছয় থানায়, ঘটনার তদন্তে আসপাড়ায় যায় গুড়াপ থানার পুলিশ। সাতুরিয়া যাওয়ার পথে বাথানগরিয়া মোড়ে বিজেপি সমর্থক শুভেন্দু মালিকের বাইক আটকানো নিয়ে পুলিশের সঙ্গে শুরু হয় বচসা। পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ তখন তাকে মারধর করা হয়েছে। শুভেন্দু গ্রামে ফিরে গেলে পুলিশ ওই গ্রামে ঢোকে। তখনই পুলিশকে ঘিরে গ্রামবাসীরা শুরু করে বিক্ষোভ। নিরপরাধ বিজেপি সমর্থককে কেন মারধর করা হল এই অভিযোগে পুলিশের সঙ্গে গ্রামবাসীদের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। অভিযোগ ধস্তাধস্তি চলাকালীন পুলিশ আধিকারিকের সার্ভিস রিভলভার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। পুলিশ গুলি চালায়। তাতেই আহত হন জয়চাঁদ মালিক। এরপর ক্ষিপ্ত গ্রামবাসীরা পুলিশের দুটি গাড়ি ভাঙচুর করে। পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী গ্রামে ঢুকে তিনজন পুলিশ কর্মীকে উদ্ধার করে। নেটিজেনদের একাংশের অভিমত উর্দি পরা অবস্থায় পুলিশকে ছোঁয়াও আইনত অপরাধ , সেখানে কি করে পুলিশের গায়ে হাত দিলেন বিজেপি কর্মীরা ? কোনো প্রতিক্রিয়া নেই রাহুল সিনহাদের কাছ থেকে ।

No comments:

Post a Comment

loading...