Thursday, 13 June 2019

অচলাবস্থা কাটাতে মুখ্যমন্ত্রী গিয়েছিলেন এসএসকেএমে , বদলে জুটল জুনিয়র ডাক্তারদের খারাপ ব্যবহার

ওয়েব ডেস্ক ১৩ই  জুন ২০১৯: ডাক্তারদের ওপর হামলা করা কোনো ভাবেই যেমন মেনে নেওয়া যায়না , তেমনি ডাক্তারদের অনির্দিষ্টকালের জন্য ধর্মঘটে চলে যাওয়াও ন্যায় সঙ্গত নয় । বিগত তিন  দিন ধরে জুনিয়র ডাক্তারের যেই ধর্মঘট পালন করছে সারা বাংলায় এবং তাদের সাথে যেই ভাবে সিনিয়র ডাক্তারেরা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সমর্থন করে যাচ্ছে তাতে ঐক্যের  ছবিটা যেমন দেখা যাচ্ছে ডাক্তারদের মধ্যে তেমনি উল্টোদিকে রোগীর পরিজনদের হয়রানি, উৎকণ্ঠা আর রোগীদের যন্ত্রণার মাত্রাটাও বেড়েছে এই কদিনে । সাধারণ মানুষের পক্ষে যা অসহ্য ।
চিকিৎসা ক্ষেত্রে রাজ্যের এই বেহাল দশা থেকে বের করে আনতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ এসএসকে এম জুনিয়র ডাক্তারদের সাথে কথা বলতে গিয়েছেন , কিন্তু সেখানে জুনিয়র ডাক্তারেরা হুমকির সুরে অত্যন্ত খারাপ ব্যবহার করেন মুখ্যমন্ত্রীর সাথে । তখনি মুখ্যমন্ত্রী জুনিয়র ডাক্তারদের চরম হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, চার ঘণ্টার মধ্যে কাজে যোগ না-দিলে পুলিশ কঠোর ব্যবস্থা নেবে। সরকারি সহযোগিতা বন্ধ করে দেওয়া হবে। হস্টেলেও থাকতে দেওয়া হবে না। মুখ্যমন্ত্রীর এমন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতেই স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসাবে তাঁর পদত্যাগ দাবি করলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়।মুখ্যমন্ত্রী এসএসকেএমে জুনিয়র চিকিৎসকদের হুঁশিয়ারি দেওয়ার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই মুকুল বলেন, “আহত চিকিৎসকদের প্রতি কোনো সহানুভূতি নেই। এ ধরনের মন্তব্য স্বৈরাচারী মনোভাবের প্রকাশ”।এ শুনে বিদ্যজনেদের একাংশের অভিমত মুকুল রায় চিরকালই সুযোগ সন্ধানী মানুষ , সুযোগ পেলেই আগুনে ঘি দেওয়ার কাজটা ভালোই করতে পারেন । রোগীর পরিজনদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মমতা বলেন, “এনআরএসে ওরা ডাক্তার নয়, ওরা আউটসাইডার।কী ভেবেছে কী ওরা? ডাক্তারদের কাজ পরিষেবা দেওয়া। অনেকে নাটক করছে। যারা নাটক করছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাদের বুদ্ধিতে এ সব কাজ করছে? ডাক্তারিতে হিন্দু-মুসলমান হয় না। একই সঙ্গে তিনি আগামী চার ঘণ্টার মধ্যে কাজে যোগ না-দিলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানান”।

No comments:

Post a Comment

loading...