Saturday, 29 June 2019

যোগীর রাজ্যে ফোন নম্বর দিতে না পারায় মহিলার পশ্চাৎদেশে জুটল পুলিশের বেল্টের আঘাত

ওয়েব ডেস্ক ২৯শে  জুন ২০১৯: যোগী আদিত্যনাথের আমলে মহিলাদের সন্মান বলে কিছুই নেই উত্তরপ্রদেশে । একেই তো ধর্ষণের বন্যা বয়ে যাচ্ছে  যোগীর আমলে , মহিলাদের সম্মানটুকুও শিকেয় তুলে দেওয়া হয়েছে , এবার আইনের রক্ষক যারা , তারাই কোনো এক অজ্ঞাত মহিলার পশ্চাৎদেশে বেল্টের আঘাত দিয়ে আনন্দ উপভোগ করছে ।  বিজেপির আমলে আইন শৃঙ্খলা যে একেবারেই ভেঙে পড়েছে এ বিষয়ে সংশয়ের কোনো ব্যাপার নেই । প্রসঙ্গত গোল করে পাতা রয়েছে চেয়ার,মাঝে দাঁড়িয়ে এক মহিলা। বারবার করে নিজের আঁচল টেনে গা ঢাকছেন তিনি। দুটি পুলিশ কু নজরে মহিলাকে মাঝে রেখে ঘোরপাক খাচ্ছেন চারপাশে। হাসি ঠাট্টা মজার আওয়াজ স্পষ্ট।
এমন সময় দুজনের মধ্যে একজন আচমকাই কোমর থেকে চামড়ার বেল্ট খুলে সপাটে এক ঘা মহিলার গায়ে। একবার নয় একাধিক বার তাকে বেল্ট দিয়ে মারা হয়। চড় মারার জন্যও হাত তোলেন পুলিশ। মহিলা কাকুতি মিনতি করলেও কোনো পাত্তা দেয় না তারা। এমনই একটি ভিডিও নেট নাগরিকদের হাতে ভাইরাল হয়ে যায়, ফরিদাপুরের পুলিশের এ হেন কর্মকান্ড দেখে যথাযথ পদক্ষেপ করতে চলেছে প্রশাসন।সূত্রে খবর, ঘটনাটি ঘটেছে সাত মাস আগে। সেই ঘটনার মর্মান্তিক ভিডিওটি সাম্প্রতিক কালে সোশাল নেটওয়ার্কে ভাইরাল। এই ঘৃণ্য ঘটনাটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ফরিদাবাদের আদর্শনগর পুলিশ স্টেশনের পুলিশ কর্মীরা। ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, মহিলার কাছে অনবরত ফোন নম্বর চেয়ে চলেছেন দুজন পুলিশ কর্মী, মাঝে মাঝে উড়ে আসছে চামড়ার বেল্টের আঘাত।
ঘটনার ভিডিও মারফত প্রকাশ্যে এলে পুলিশ বলেন, পার্কের ভিতর ঐ মহিলা ও এক ব্যক্তিকে অশালীন অবস্থায় দেখা যায়। পুলিশ ধরতে গেলে পুরুষ ব্যক্তিটি পালিয়ে যায়। দু’জনে মিলে পার্কে কী করছিল ?সেই প্রশ্নে মহিলাকে মারতে মারতে ক্রমাগত জেরা করতে থাকে পুলিশ।
কথা উঠেছে যদি সত্যি কিছু জানার থাকতো তাহলে কোনো মহিলা পুলিশকে দিয়ে কেন জিজ্ঞাসাবাদ করা হল না ? এক জন পুরুষ পুলিশ কর্মী হয়ে কখনোই মহিলাদের গায়ে হাত দেওয়া যায়না ।

No comments:

Post a Comment

loading...