Friday, 26 July 2019

এবার বিধায়ক টানার খেলায় নাম লেখালো কংগ্রেসও, মধ্যপ্রদেশে উল্টো পুরাণ

ওয়েব ডেস্ক ২৬ই জুলাই ২০১৯:ভারতীয় রাজনীতি এমন একটা জায়গায় গিয়ে পৌঁছেছে  যেখানে এমএলএ কেনাবেচার মতো নোংরা ঘটনা ক্রমাগত ঘটেই চলেছে  , যা এক কথায় নিন্দনীয় । কখনো ক্ষমতায় ফিরে আসার জন্য বিজেপি দিকে অভিযোগ, তারা ঘোড়া কেনা বেচা করেছে , আবার কখনো ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য মধ্যপ্রদেশের কংগ্রেস সরকার দাবি করছে আর এস এস এর অনেক এমএলএই তাদের সাথে যোগাযোগ রাখছে । এটাই যদি ভারতীয় রাজনীতির অবস্থা হয় আহলে একদিন এমন আসবে যখন মানুষ নোটাতেই ভোট দেবে আর নোটাই সব থেকে বেশি ভোটের অধিকারী হবে । প্রসঙ্গত এই দল বদলের খেলায় রাজ্য কংগ্রেসের মুখপাত্র তথা মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথের ঘনিষ্ঠ নরেন্দ্র সালুজা জানিয়েছেন, “আমাদের সঙ্গে অনেকে যোগাযোগ রাখছেন। তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ নিয়মিত আরএসএসও করেন।”

রাজ্যের আইনমন্ত্রী পিসি শর্মা বলেন, “বুধবারের ভোটাভুটি প্রমাণ করেছে বিজেপি বিধায়করা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। শুধুমাত্র দু’জন বিজেপি বিধায়ক আমাদের সমর্থন করলেও, শিবির বদল করার ব্যাপারে অনেকেই মুখিয়ে রয়েছেন।” আবার সালুজার দাবি, “এটা শুধু ট্রেলার, আসল ছবি এখনও বাকি!”উল্লেখ্য, গত বুধবার মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায় কর্নাটকের উলটো ছবিই দেখা যায়। ক্রিমিনাল প্রসেডিওর কোড (মধ্যপ্রদেশ অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল ২০১৯ বুধবার কমল নাথ সরকার নিয়ে আসে। কংগ্রেসের পেশ করা বিলে সমর্থন জানান শরদ কল ও নারায়ণ ত্রিপাঠী নামে দুই বিজেপি বিধায়ক।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২৩১ আসন বিশিষ্ট মধ্যপ্রদেশ বিধানসভায় কমল নাথ সরকারের সঙ্গে আছেন ১২১ জন বিধায়ক। এঁদের মধ্যে গত ২০১৮ সালের বিধানসভা ভোটে জিতেছেন ১১৪ জন কংগ্রেস এবং সাত জন জন বসপা-সপা-নির্দল বিধায়ক। অন্য দিকে বিজেপির সঙ্গে রয়েছেন ১০৯ জন বিধায়ক।এখন কথা উঠছে সবাই যখন অন্যের এম এল এ নিজের দলে নিচ্ছে তাহলে কংগ্রেসই বা পিছিউয়ে থাকবে কেন ? তাই কি ? বলতে পারবে কংগ্রেস ।

No comments:

Post a comment

loading...