Wednesday, 17 July 2019

মোদীজির দ্বিতীয় ইননিংসেও বাংলার প্রতি বঞ্চনা অটুট , প্রশ্ন সর্বত্রই আর কত বঞ্চনার শিকার হবে বাংলা ?

ওয়েব ডেস্ক ১৭ই জুলাই  ২০১৯: সেই বাম জমানার থেকে বাংলাকে বঞ্চনা করে চলেছে কেন্দ্রে । অবশ্য তখন একটানা বিজেপি সরকার ছিলনা , কংগ্রেসের সরকারও ছিল । পরবর্তী কালে সিপিএমের সাহায্যে কংগ্রেস যখন দিল্লির মসনদে এলো তখন বাংলার সিপিএম নেতারা ইচ্ছে কৃত ভাবেই  কেন্দ্রের কাছ থেকে তাদের পাওনা আদায় করেনি , কারণ সংকট তৈরী করে নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখাটাই তাদের  মূল উদেশ্য ছিল। কারণ যত সংকট ততো আন্দোলন , আর ততই নিজের পতাকা তলে নিয়ে আসার সুযোগ ।  যায় হোক মোদীজির দ্বিতীয় ইনিংসেও চিত্রটা বদলায়নি ।
এ নিয়েই এবার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিকল্পনা মতো দিল্লীতে সরব হবে তৃণমূল।এখন থেকে প্রায় প্রতিদিন কেন্দ্রের বিভিন্ন মন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে বাংলার প্রকল্পগুলি নিয়ে মোদী সরকারের মনোভাব জেনে নেবে বলেই ঠিক করেছে তৃণমূল। আর সেটি জানার পরেই রাজ্যের প্রকল্পকে সামনে রেখে বিজেপির সঙ্গে রাজনৈতিক লড়াইয়ের স্ট্র্যাটেজি ঠিক করবে। সেই মতো রাজ্যের নাম পরিবর্তন থেকে শুরু করে রেল, বিদ্যুৎ, জল, কয়লার মতো বাংলার বিভিন্ন প্রকল্পের গতিবিধি নিয়ে মোদী সরকারকে চেপে ধরা শুরু করলেন দলের সাংসদরা। যেমন রাজ্যের নাম পরিবর্তনের ইস্যুতে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছ থেকে জবাব চাইবে বলেই ঠিক করেছে তৃণমূল।মমতার পরিকল্পনা মতোই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে চেয়ে সংসদীয় দলের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চাওয়া হয়েছে সাক্ষাতের সময়। রাজ্য বিধানসভায় পশ্চিমবঙ্গের নাম বদলে ‘বাংলা’ রাখার প্রস্তাব পাশ হওয়ার পরেও কেন তার অনুমোদন দিচ্ছে না কেন্দ্র? তা এবার মোদীর মুখ থেকেই শুনতে চায় বাংলার শাসক দল। তাই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় চেয়ে যৌথ চিঠি দিয়েছেন তৃণমূলের লোকসভা ও রাজ্যসভার দলনেতা দ্বয় সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ডেরেক ও’ব্রায়েন।
অন্যদিকে, কাটোয়া তাপবিদ্যুৎ নিয়ে কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রী প্রকাশ জাভরেকরের সঙ্গে দেখা করার পর কয়লামন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশির কাছেও দরবার করেছে তৃণমূল। খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লীতে এসে সংসদেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করার পরেও কেন সরকারিভাবে বীরভূমের ডিপিএইচডি (দেওচা-পাঁচামি-হরিণসিং-দেওয়ানগঞ্জ) কয়লা ব্লকের বরাত এখনও মিলল না? কেন তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে বিষয়টি আটকে রয়েছে? মন্ত্রীর কাছে জানতে চান দলের প্রতিনিধি দল।সব মিলিয়ে একটা ব্যাপার পরিষ্কার বিগত বামেদের মতো প্রকল্প চাওয়ার অভিনয় অন্তত বর্তমান সরকার করছেনা , তারা সত্যি বাংলার উন্নতি করতে চায়।

No comments:

Post a comment

loading...