Saturday, 13 July 2019

প্রশান্ত কিশোরের কথা অক্ষরে অক্ষরে পালন করছে তৃণমূলের নেতা মন্ত্রীরা ।

ওয়েব ডেস্ক ১৩ই জুলাই  ২০১৯: হরিশ  সালভে , ভারতের নাম করা উকিল । তিনি কোনো কেস হাতে নিলে জয় নিশ্চিন্ত । সেরকমই ভারতীয় রাজনীতিতে উঠে এসেছেন প্রশান্ত কিশোর, কি ভাবে একটা দলকে ভোটে জিতিয়ে নিয়ে আসতে হয় সেটা তার নখদর্পনে ।  তিনি বাংলাকে ভোট বৈতরণী পার করাতে আসরে নেমে পড়েছেন। শুক্রবার দুপুরে কালীঘাটে অভিষেকের অফিসে ঘন্টা আড়াই এই বৈঠক হয়। সেখানে দলের দুই শীর্ষনেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও সুব্রত বক্সী ছাড়াও ছিলেন তৃণমূলের জেলা সভাপতিরা। উপস্থিত নেতাদের উদ্দেশে প্রশান্তের আশ্বাস, তাড়াহুড়ো করার প্রয়োজন নেই। পরিস্থিতি বদল করে ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব। এবং তার জন্য এক বছরের বেশি সময় রয়েছে তৃণমূলের হাতে।
বৈঠকে দলের চালু কাঠামো ভেঙে বুথ স্তর থেকে তথ্য পেতে বিধানসভা কেন্দ্র পিছু ১৫ জন ‘উপযুক্ত’ কর্মী বাছাই করতে বলেছেন প্রশান্ত। সেই সঙ্গে দলের বিধায়কদের নিজের কেন্দ্রে মাসে কমপক্ষে সাত-আটদিন কাটানোর পরামর্শও দিয়েছেন তিনি।

বুথ স্তর থেকে জনমত যাচাইয়ের কাজে ১৫ জনকে বেছে নেওয়ার কথা বলে প্রশান্তের সুপারিশ, দলের এই ১৫ জনের মধ্যে সব অংশের প্রতিনিধি রাখা দরকার। তৃণমূলের এক জেলা সভাপতির কথায়, ‘‘এই ১৫ জন দলের প্রয়োজন মতো তথ্য সংগ্রহ করে জেলা নেতৃত্বকে জানাবেন। প্রশান্তের যে টিম কাজ করবে, প্রয়োজনে তার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ থাকবে তাঁদের।’’ শুধু হারের কারণই নয়, কোথায় দলের ফল কেন ভাল, সে সম্পর্কেও তথ্য চাইছেন প্রশান্ত।

বৈঠকে উপস্থিত নেতাদের বিরোধীদলগুলির জন্য রাজনৈতিক পরিসর ছাড়ার কথাও বলেছেন প্রশান্ত। অন্য এক জেলা সভাপতির কথায়, ‘‘বিরোধীদের জায়গা দিলে তাঁদের শক্তি বোঝা যাবে। একই সঙ্গে বিরোধী ভোট ভাগের সম্ভাবনাও তৈরি করা যাবে। সম্ভবত সে কারণেই দল এটা চাইছে।’’ এই বৈঠকে জেলা নেতাদের রাজনৈতিক সংঘর্ষ এড়িয়ে থাকতে বলা হয়েছে।এখন প্রশান্ত কিশোরই শেষ কথা , তিনি 

No comments:

Post a Comment

loading...