Sunday, 25 August 2019

বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা নদী পার করে তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলা চালাতে এসেছিল , পুলিশের তৎপরতায় ভেস্তে গেল

ওয়েব ডেস্ক ২৫ শে অগাস্ট  ২০১৯:হতে পারতো বিরাট সংঘর্ষ , শুধু মাত্র নিজেদের মুন্সিয়ানার জোরে এবং সজাগ থাকার দরুন একটা বড়সড় ঝামেলা এড়াতে সক্ষম হল তৃণমূল কর্মীরা  । ঘটনাটি  খানাকুলের ধান্যঘোরি গ্রাম পঞ্চায়েতের বন্দর এলাকায়।সূত্রের খবর অনুযায়ী , ১৫-২০ জন বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতী এদিন সন্ধেয় নৌকোয় করে রূপনারায়ণ নদ পার হয়ে বন্দরে পৌঁছয়। তার পর বিজেপি–র দলীয় কার্যালয়ে ঢুকে তৃণমূল কর্মীদের ওপর আক্রমণের পরিকল্পনা করে। তাদের সঙ্গে ছিল বেশ কিছু ফাইবার স্টিক ও অস্ত্রশস্ত্র। ওই সময় তৃণমূলের একজন কর্মী দোকানে পান কিনতে গেলে তঁাকে মারধর করে।
বিষয়টি চাউর হতেই এলাকার তৃণমূল কর্মীরা ঘটনাস্থলে যান। খবর দেওয়া হয় খানাকুল থানাতেও। পুলিশও পৌঁছে যায়। এর পর তৃণমূল ও পুলিশের যৌথ তাড়ায় ওই দুষ্কৃতী দল আবারও নৌকো করে নদী পার হয়ে চন্দ্রকোনা ও ঘাটালের দিকে পালিয়ে যায়। স্থানীয় তৃণমূল নেতা মুন্সি নজমুল অভিযোগ করেন, খানাকুলের বন্দর এলাকার কিছু বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতী পশ্চিম মেদিনীপুর থেকে লোক নিয়ে এসে তৃণমূল কর্মীদের ওপর আক্রমণ চালাচ্ছে। লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই বন্দর এলাকায় বিজেপি–র দুষ্কৃতীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ও বন্ধ করে দিয়েছিল। যদিও কিছুদিন আগে পুনরায় সেটি খোলা হয়েছে। এ ছাড়াও গত কয়েকদিনে তিনজন তৃণমূল কর্মীকে মারধর করেছে বিজেপি দুষ্কৃতীরা। বৃহস্পতিবার রাতে বন্দর খেয়াঘাটের কাছে কাশীনাথ সামন্ত নামে এক তৃণমূল কর্মীকে তারা বেধড়ক মারধর করে। তঁাকে খানাকুল গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। সাধারণ মানুষের অভিমত এই ভাবে যদি বিজেপি দুষ্কৃতীদের 'স্পনসর' করে তাহলে আগামী দিনে ব্যাপারটা কখনই ভালোর দিকে যাবেনা ।

No comments:

Post a Comment

loading...