Wednesday, 14 August 2019

মহারাষ্ট্রের গণেশ পুজোয় যখন কর বসানো হয়না তাহলে দুগা পুজোয় কেন ? মমতাকে বেকায়দায় ফেলার জন্যই কি ?

ওয়েব ডেস্ক ১৪ই অগাস্ট  ২০১৯: মোদী-অমিত শাহ  জুটি জম্মু কাশ্মীরকে ভেঙে দুটুকরো করেছেন , ভালো কথা । শান্তি রক্ষার ক্ষেত্রে অনেক সময় কঠিন পদক্ষেপ নিতে হয় ।এ বিষয়ে আম জনতা বিজেপিকে কুরুচিকর ভাষায় ভরিয়ে দিচ্ছেনা, এটা বাস্তব।আর এটাও বাস্তব মহারাষ্ট্রের গনেশ পুজোয় কখনো কর দিতে বলেনি  বিজেপি সরকার ।তাহলে বাংলায় দূর্গা পুজোর সময় কর দিতে কেন বলা হচ্ছে পুজো কমিটি গুলোকে ? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল তৃণমূল কংগ্রেস সরকারে আছে  বলেই কি পুজো কমিটি গুলোকে এই ভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে ? উত্তরটা সবার জানা ।
গত কাল এই নিয়ে সুবোধ মল্লিক স্কয়ারে দিন ভোর ধর্নায় বসেছিল তৃণমূল ।সেখানে বক্তব্য রাখেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম,বঙ্গ জননী বাহিনীর চেয়ারম্যান কাকলি ঘোষদস্তিদার প্রমুখ। এ এমন এক সমস্যা কেন্দ্র সরকারের তরফ থেকে সৃষ্টি করা হচ্ছে যা আগে কখনো হয়নি ।এ নিয়ে মমতা ব্যানার্জি  ফেসবুকে লিখেছেন, ‘‌পুজোর জিজিয়া কর নিয়ে আয়কর দপ্তর তাদের অবস্থান ব্যাখ্যা করে প্রেস বিবৃতি দিয়েছে। আমি আপনাদের সবাইকে জানাতে চাই, ওই বিবৃতির নামে তারা কিছু দাবি করেছে। যা প্রমাণ করে যে, তারা ঠিক তথ্য দেয়নি। গত বছরও আয়কর দপ্তর পুজো কমিটিগুলিকে নোটিস পাঠিয়েছিল। ঢাকি, পুরোহিত ছাড়াও গ্রামবাংলার আরও অনেক মানুষ পুজো এবং মণ্ডপ তৈরির সঙ্গে জড়িয়ে থাকেন। পুজো কমিটিগুলির মাধ্যমে তঁাদের কাছ থেকে কর নেওয়া আসলে ‘‌টেরিবল ডিজাস্টার স্কিম’‌।’‌ মমতা মন্তব্য করেছেন, ‘‌আমাদের সংস্কৃতি এবং দুর্গাপুজো উৎসবের ওপর এ এক আক্রমণ। আমি জানি না, জেনে অথবা না জেনে এই কাজ করা হয়েছে কিনা। তবে, এটা ভীষণরকম কুরুচি। যখন সমস্ত ধর্মের মানুষ দুর্গোপুজোয় অংশ নেন, তখনই এ এক জাতীয় উৎসবের চেহারা নেয়।’‌মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো অনেকেই মনে করেন উৎসবে কর প্রত্যাহার অবিলম্বে করে নেওয়া উচিত  । বাংলার প্রতিটি মানুষই চান দুর্গাপূজা সুষ্ট ভাবে সুসম্পন্ন হোক ।তাই নয় কি ?

No comments:

Post a Comment

loading...