Saturday, 19 October 2019

সুযোগ পেলেই অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়কে অপমান করতে কসুর করছেননা বিজেপির নেতারা

ওয়েব ডেস্ক ১৯ ই অক্টোবর ২০১৯: পড়াশোনা কলকাতার সাউথ পয়েন্ট স্কুল আর প্রেসিডেন্সি কলেজে। এরপর দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে। অভিজিৎ আপাদমস্তক একজন বাঙালি। বিদেশে থাকলেও বাংলায় লেখালেখি করেন। কলকাতায় আসেন। দেশের বিভিন্ন সেমিনারে যোগ দেন। অভিজিতের সঙ্গে এবার অর্থনীতিতে নোবেল পেয়েছেন তাঁর স্ত্রী এস্থার ডাফলো।
অভিজিতের নোবেল পাওয়ার খবরে অভিনন্দন জানিয়েছে দেশবাসী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও মানবাধিকার সংস্থা। তবে অভিজিতের নোবেলপ্রাপ্তিকে সাদরে গ্রহণ করেনি বিজেপি।বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন  সভাপতি ও বর্তমান বিজেপির জাতীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা একধাপ এগিয়ে গতকাল বলেন, ‘বামপন্থী অর্থনীতি এ দেশে চলে না। মানুষ বামপন্থাকে প্রত্যাখ্যান করেছে। বিদেশের কোথাও অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের তত্ত্ব কাজে লাগতে পারে। তবে ভারতে দারিদ্র্য দূরীকরণে তাঁর তত্ত্ব কাজে আসবে না। মহাত্মা গান্ধীর নীতিতেই ভারতে আর্থিক উন্নতি সম্ভব।’
রাহুল সিনহা বলেন, ‘অভিজিৎ তো দিল্লিতে পড়াশোনার সময় ছাত্র আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েছিলেন। ১০ দিন জেল খেটেছিলেন দিল্লির তিহার কারাগারে।’ তিনি কটাক্ষ করে বলেন, ‘বিদেশিনীকে বিয়ে করলে নোবেল পাওয়া যায়, যেমনটা অধ্যাপক অমর্ত্য সেনও বিদেশিনী বিয়ে করে নোবেল পেয়েছিলেন। অভিজিৎ দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন ফ্রান্সের এস্থার ডাফলোকে। অমর্ত্য সেনও দ্বিতীয় বিয়ে করেছিলেন বিদেশিনীকে।’

No comments:

Post a Comment

loading...