Wednesday, 23 October 2019

অবৈধ্য সম্পর্ক ও যৌন্য লালসার জন্য নিজের জীবনটাই খোয়ালেন এই সিপিএম নেতা,পড়ুন ।

ওয়েব ডেস্ক ২৩ ই অক্টোবর ২০১৯:নিখোঁজের তিন দিন পর মাটি থেকে তোলা হলো সুভাষচন্দ্র দে নামের এক সিপিএম এই নেতার খণ্ডিত লাশ। গত  সোমবার সকালে ওই নেতার লাশ উদ্ধার করা হয়।বীরভূম জেলার দুবরাজপুরের একটি পুকুর পাড়ের বাঁশবাগানে তার মাথাহীন শরীর বস্তাবন্দী করে পুঁতে রাখা হয়েছিল। তবে এখনো তার দুই পা এবং মাথা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।সূত্রের খবর অনুসারে পুলিশের হাতে ধরা পড়া খুনি এবং তার সহযোগীর দেখিয়ে দেওয়া জায়গা থেকেই ওই খণ্ডিত দেহ উদ্ধার হয়েছে।
সেই সঙ্গে উঠে এসেছে ঘটনার চাঞ্চল্যকর তথ্য।পুলিশের দাবি, বন্ধুর মেয়ের সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েই খুন হতে হয়েছে বীরভূমের সিপিএম নেতা সুভাষচন্দ্র দে-কে।জানা যায়, গত ১৮ অক্টোবর থেকে সুভাষবাবু নিখোঁজ ছিলেন। ১৯ অক্টোবর অর্থাৎ নিখোঁজ হওয়ার পরের দিন তার বাইক পাওয়া যায় নানুরে এক তৃণমূল নেতার মালিকানাধীন বেসরকারি কলেজের সামনে। সুভাষবাবুর পরিবারসহ অনেকেই যখন নিখোঁজ হওয়ার পেছনে রাজনীতি রয়েছে বলে অভিযোগ তোলা শুরু করছিলেন, সেই সময়েই অর্থাৎ আজ সোমবার সকালে উদ্ধার হল সুভাষবাবুর দেহাংশ।বীরভূম পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পারে, সুভাষবাবুর এক বন্ধুর মেয়ের সঙ্গে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক ছিল তার। নিখোঁজ হওয়ার দিন অর্থাৎ শুক্রবারও তিনি ওই তরুণীর বাড়িতে গিয়েছিলেন। তিনি যখন ওই তরুণীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে ছিলেন, তখন তার স্বামী মতিউর রহমান বাড়ি ফিরে আসেন। নিজের স্ত্রীকে সুভাষবাবুর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অবস্থায় দেখে রাগের মাথায় তিনি সঙ্গে সঙ্গে শাবল দিয়ে আঘাত করেন তার ঘাড়ে। এর পর মৃত্যু নিশ্চিত করতে উপুর্যপরি আরও কয়েক বার আঘাত করেন। স্ত্রী-র সাহায্যে দেহটি তিন টুকরো করেন।

No comments:

Post a Comment

loading...