Friday, 18 October 2019

মৃত্যু মিছিল বেড়েই চলেছে আসামের 'ডিটেনশন ক্যাম্পে ', অমিত শাহেরা নির্বিকার

ওয়েব ডেস্ক ১৮ ই অক্টোবর ২০১৯: মানুষ গুলোকে মেরে ফেলার জন্যই কি আসামে ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরী করেছে বিজেপি সরকার  ? এখন এই প্রশ্নটাই সর্বত্র উঠে আসছে । না আছে ডাক্তার , না আছে স্নানাগার , এই রকম একটা মহামারী ছড়াবার জায়গা হিসেবে পরিণত হচ্ছে  ডিটেনশন ক্যাম্পগুলি  , অন্তত সাধারণ মানুষের সেরকমই মনে করছে এবং ক্ষোভে ফেটে পড়ছে বিজেপি সরকারের প্রতি  । প্রসঙ্গত আসামে বিদেশি তকমা দিয়ে বাংলাভাষী মানুষ তাড়ানোর অংশ হিসেবে অনেক বাঙালি হিন্দু-মুসলিমকে বন্দী করা হয়েছে। আসামের ৬টি কারাগারে স্থাপিত  ডিটেনশন ক্যাম্পে তাদের রাখা হয়েছে। এসব বন্দিশিবিরে এর মধ্যে ২৬ জন বন্দীর মৃত্যু হয়েছে।
আসামের তেজপুর, গোয়ালপাড়া, শিলচর, ডিব্রুগড়, কোকড়াঝাড় ও জোরহাট জেলায় এসব বন্দিশিবির রয়েছে। এর মধ্যে তেজপুর ও গোয়ালপাড়ার ডিটেনশন ক্যাম্পে ১০ জন করে বন্দী মারা গেছে। শিলচর বন্দিশালায় ৩ জন, কোকড়াঝাড়ে ২ জন এবং জোরহাটে ১ জন মারা গেছে। তবে ডিব্রুগড় বন্দিশালায় এখন পর্যন্ত কেউ মারা যায়নি। বন্দিশিবিরগুলোতে না খেয়ে ও কারারক্ষীদের জুলুমের শিকার হয়ে বন্দীদের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
গতকাল আসামের মানবাধিকার সংগঠন ‘আমরা বাঙালি’র সচিব এবং নাগরিক অধিকার রক্ষা কমিটির সচিব প্রধান সাধন পুরকায়স্থ এ জন্য আসামে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী সদানন্দ সনোয়ালকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, এই ঘটনায় আসামের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা করা উচিত। কারণ, রাজ্য সরকার সাধারণ মানুষকে ‘বিদেশি’ বানিয়ে হত্যা করছে। তিনি জানান, এই মৃতের তালিকায় ৪৫ দিনের শিশু থেকে ৮৬ বছরের প্রবীণ ব্যক্তিরা রয়েছেন।

আসামে বিদেশি তকমা দিয়ে বাংলাভাষী মানুষ তাড়ানোর অংশ হিসেবে অনেক বাঙালি হিন্দু-মুসলিমকে বন্দী করা হয়েছে। আসামের ৬টি কারাগারে স্থাপিত  ডিটেনশন ক্যাম্পে তাদের রাখা হয়েছে। এসব বন্দিশিবিরে এর মধ্যে ২৬ জন বন্দীর মৃত্যু হয়েছে।

আসামের তেজপুর, গোয়ালপাড়া, শিলচর, ডিব্রুগড়, কোকড়াঝাড় ও জোরহাট জেলায় এসব বন্দিশিবির রয়েছে। এর মধ্যে তেজপুর ও গোয়ালপাড়ার বন্দিশিবিরে ১০ জন করে বন্দী মারা গেছে। শিলচর বন্দিশালায় ৩ জন, কোকড়াঝাড়ে ২ জন এবং জোরহাটে ১ জন মারা গেছে। তবে ডিব্রুগড় বন্দিশালায় এখন পর্যন্ত কেউ মারা যায়নি। বন্দিশিবিরগুলোতে না খেয়ে ও কারারক্ষীদের জুলুমের শিকার হয়ে বন্দীদের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।গতকাল  সকালে আসামের মানবাধিকার সংগঠন ‘আমরা বাঙালি’র সচিব এবং নাগরিক অধিকার রক্ষা কমিটির সচিব প্রধান সাধন পুরকায়স্থ এ জন্য আসামে বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী সদানন্দ সনোয়ালকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, এই ঘটনায় আসামের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে খুনের মামলা করা উচিত। কারণ, রাজ্য সরকার সাধারণ মানুষকে ‘বিদেশি’ বানিয়ে হত্যা করছে। তিনি জানান, এই মৃতের তালিকায় ৪৫ দিনের শিশু থেকে ৮৬ বছরের প্রবীণ ব্যক্তিরা রয়েছেন।মৃত লোকজনের মধ্যে ২৪ জনের মৃত্যু হয়েছে  বর্তমান বিজেপি সরকারের আমলে। এই মৃতের তালিকায় আছে ১২ জন হিন্দু ও ১৩ জন মুসলিম। মৃত অপর ব্যক্তি অন্য সম্প্রদায়ের। আসামের ৬টি কারাগারে বিদেশিদের, বিশেষ করে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বন্দী রাখার জন্য তৈরি হয়েছে বন্দিশিবির।বন্দীদের মধ্যে সর্বশেষ ১৩ অক্টোবর মারা গেছেন দুলাল চন্দ্র পাল (৬৪)। তাঁর বাড়ি আসামের ঢেকিয়াজুলির আলিসিঙ্গা গ্রামে। তবে দুলাল চন্দ্র পালের পরিজন তাঁর দেহ সৎকারে অস্বীকার করেছেন। তাঁদের দাবি, যেহেতু দুলাল পালকে বিদেশি তকমা দিয়ে বন্দিশিবিরে আটক রাখা হয়েছিল, তাই তাঁকে নাগরিকত্ব দিয়ে সৎকারের ব্যবস্থা করতে হবে। নইলে তাঁর মরদেহ পাঠিয়ে দেওয়া হোক বাংলাদেশে। তাঁর আত্মীয় পরিজনেরা এই দেহ নেবেন না। এখনো এই দেহ পড়ে আছে গুয়াহাটির মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে।

No comments:

Post a Comment

loading...