Friday, 25 October 2019

প্রাথমিক ভাবে সফল হলেও এখনো কাশ্মীরিদের মন জয় করতে পারেনি কেন্দ্রীয় সরকার

ওয়েব ডেস্ক ২৫শে অক্টোবর ২০১৯: কাশ্মীর হলো ভারতের সুইজারল্যান্ড ।তাই ভারতের নানা প্রান্ত থেকে এবং অবশ্যই বিশ্বের  নানা জায়গা থেকে পর্যটকরা ভিড় জমান কাশ্মীরে কিন্তু ৩৭০ ধারা তুলে নেওয়ার পর  পর্যটন মৌসুমেও কাশ্মীর এখন প্রায় পর্যটক শূন্য। আপেল বাগানগুলোতে ফল সংগ্রহের লোক নেই। সকালের দিকে মাত্র কয়েক ঘণ্টার জন্য দোকানপাট খোলা থাকে। স্কুল ও কলেজগুলোতেও নেই শিক্ষার্থীদের পদচারণা। কেন্দ্রীয় সরকার কাশ্মীরের স্বায়ত্তশাসন কেড়ে নেয়ার পর থেকে পুরো উপত্যকা যেন অন্ধকারে ডুবে রয়েছে।


এসবের মধ্যেও ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ-সমাবেশ হচ্ছে। প্রসঙ্গত দীর্ঘদিন পর মাত্র কয়েক জায়গার অবরোধ তুলে নেয়া হয়েছে। তবে এখনও স্বাভাবিক ছন্দে ফেরেনি ভূ-স্বর্গ। দুই মাসের বেশি সময় গৃহবন্দী থাকা কাশ্মীরের প্রাক্তন  মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি সম্প্রতি টুইট বার্তায় বলেন, কাশ্মীরের জনগণ এই অবরুদ্ধ অবস্থাকে বিক্ষোভের প্রতীক হিসেবে দেখছে। কাশ্মীরের জনপ্রিয় দৈনিক কাশ্মীর টাইমসের প্রধান নির্বাহী সম্পাদক অনুরাধা ভাসিন বলেন, ৫ আগস্ট থেকে ভারতের মোদি সরকার কাশ্মীরের প্রায় এক কোটি মানুষকে ‘লৌহ প্রাচীরের’ অন্তরালে রেখেছে। সকল প্রকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে রাখার দরুণ কাশ্মীরে আসলে কি ঘটছে-তা কেউ বলতে পারছে না। তিনি বলেন, মোদি সরকারের পদক্ষেপকে আমি আসলে এ ভাষাতেই মূল্যায়ন করতে চাই। পুরো কাশ্মীর যেন স্তব্ধ হয়ে রয়েছে। কাশ্মীরে এখন বিশ্বের শীর্ষ সেনা উপস্থিতি বিরাজ করছে। উপত্যকাজুড়ে লাখ লাখ ভারতীয় সৈন্য অবস্থান করছে। তিনি আরও বলেন, কোন প্রকার সহিংসতা এড়াতে কাশ্মীরে এই কঠোর অবরোধ দেয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ভারত সরকার সফলও হয়েছে। তবে এই সাংবাদিকের আশঙ্কা উপত্যকা থেকে সেনা প্রত্যাহার শুরুর পরবর্তী অবস্থা নিয়ে। তিনি বলেন, কাশ্মীরীরা তখন সামনে চলে আসতে পারে। 

No comments:

Post a Comment

loading...