Thursday, 24 October 2019

মোদী-ট্রাম্প গত মাসে হাতে হাত দিয়ে চলার পরেও কাশ্মীর নিয়ে বেসুরো গাইছে ট্রাম্প প্রশাসন

ওয়েব ডেস্ক ২৪শে অক্টোবর ২০১৯: ভারত শাসিত কাশ্মীরের পরিস্থিতি নিয়ে মার্কিন কংগ্রেসের সংশ্লিষ্ট কমিটির শুনানিতে ফের বেকায়দায় বেকায়দায় পড়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার। উপত্যকার অবস্থা নিয়ে মঙ্গলবার ভারতের কড়া সমালোচনা করেছেন কমিটির সদস্যেরা। এদিকে, মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক কর্মকর্তা অ্যালিস জি ওয়েলসও তার প্রতিবেদনে কাশ্মীরে ভারতের ভূমিকার সমালোচনা করেছেন। সেই সঙ্গে মৌলবাদী সংগঠনগুলোকে লাগাতার মদত দেওয়া নিয়ে পাকিস্তানেরও সমালোচনা করেছেন তিনি। তার মতে, এই মদতের জন্যই ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা তৈরি হচ্ছে না।কংগ্রেসের কমিটির বৈঠকের আগে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত হর্ষবর্ধন শ্রিংলা ওই কমিটির সদস্যদের কাছে কাশ্মীর পরিস্থিতি নিয়ে দিলিস্নর পদক্ষেপগুলো ব্যাখ্যা করেন। বিশেষ মর্যাদা লোপের যৌক্তিকতা এবং উপত্যকায় স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে আনা নিয়ে সরকারের প্রয়াসকে তুলে ধরেন। সূত্রের মতে, এর পরেও মার্কিন কংগ্রেসের সদস্যেরা কাশ্মীর নিয়ে মনোভাব যে লঘু করবেন না তার ইঙ্গিত পেয়েছিল দিলিস্নপ্রধানমন্ত্রীর গত মাসের মার্কিন সফরে টেক্সাস ও নিউইয়র্কে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে মৈত্রীকে বড় করে তুলে ধরা হয়েছে ঠিকই। কিন্তু জম্মু-কাশ্মীর প্রশ্নে ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতর থেকে বেসুর শোনা যাচ্ছে ধারাবাহিক ভাবেই।
অ্যালিস জি ওয়েলসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে 'ভারত সরকারের যুক্তি, বিশেষ মর্যাদা লোপের পেছনে রয়েছে ওই রাজ্যে অর্থনৈতিক উন্নয়ন বাড়ানো, দুর্নীতি কমানো এবং কেন্দ্রীয় আইন সমান ভাবে প্রয়োগ করার ইচ্ছা। আমরা এই সকল উদ্যোগ সমর্থন করি। কিন্তু কাশ্মীর উপত্যকার পরিস্থিতি আমাদের দপ্তরকে দুশ্চিন্তায় রেখেছে।'উপত্যকায় আটক রাজনৈতিক নেতাদের নিয়েও স্পষ্ট ভাষায় নিজেদের উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অ্যালিস। তিনি বলেন, 'স্থানীয় এবং বিদেশি সাংবাদিকেরা কাশ্মীরের ঘটনা নিয়ে খবর করার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু নিরাপত্তার কড়াকড়ির জন্য অধিকাংশ জায়গায় যেতেই পারেননি। প্রকৃত সংখ্যা না পেলেও আমাদের ধারণা বিপুল সংখ্যক মানুষকে গত দু'মাস আটক করে রাখা হয়েছে। যদিও পরে অনেককে ছাড়াও হয়েছে।'

No comments:

Post a Comment

loading...