Wednesday, 13 November 2019

বিজেপিকে আর সহ্য করতে পারছেনা শরিকেরা

ওয়েব ডেস্ক ১৩ই নভেম্বর ২০১৯: একদিকে এজেন্ডায় থাকা একেকটি স্পর্শকাতর বিষয় কার্যকর করে ফেলছে বিজেপি। আবার অন্যদিকে একের পর এক রাজ্যে শরিকদের সঙ্গে সংঘাত এমন পর্যায় পৌঁছচ্ছে, যে শত চেষ্টা করেও তা নিয়ন্ত্রেণে আনতে পারছেন না নরেন্দ্র মোদি বা অমিত শাহ। ভারতে তিন তালাক রদ, কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ, অযোধ্যায় রামমন্দির নির্মাণে শীর্ষ আদালতের সম্মতির পর এখন একমাত্র অভিন্ন দেওয়ানি বিধি ছাড়া প্রায় সবকটি এজেন্ডাই এখন মোদি–শাহের দলের দখলে। কিন্তু অতি সাম্প্রতিককালে, সেই সঙ্গে তাদের সামলাতে হচ্ছে শরিকি ক্ষোভ।
সোমবারই (১১ নভেম্বর) বিজেপির সঙ্গে ৩০ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করেছে মিত্র দল শিবসেনা। এবার ঝাড়খণ্ডেও শরিকদের নিয়ে সেই রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আগেই বিপাকে পড়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। কোন দল কয়টি আসনে লড়বে তা নিয়ে ওই রাজ্যে বিজেপির অপর দুই শরিক দল অল ঝাড়খণ্ড স্টুডেন্টস ইউনিয়ন ও লোক জনশক্তি পাটির মতের মিল হচ্ছে না। আগামী ৩০ নভেম্বর থেকে শুরু হবে পাঁচ দফায় ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচন।

এজেএসইউ দলের সঙ্গে মতবিরোধ দেখা দিয়েছে চক্রধরপুর আসনটি নিয়ে। সেখানে বিজেপি প্রার্থী করেছে রাজ্যের শীর্ষস্থানীয় নেতা লক্ষ্মম গিলুয়াকে। এদিকে এজেএসইউ ওই এই আসনে তাদের প্রার্থীর নাম আলাদা করে ঘোষণা করে দিয়েছে। একই আসনে দুই শরিক দলের লড়া যাতে না হয়, সেজন্য চেষ্টা চালাচ্ছেন বিজেপির শীর্ষ নেতারা। ঝাড়খণ্ডে বিধানসভা আসনের সংখ্যা ৮১। এজেএসইউ দাবি করেছে, অন্তত ১৯টি আসনে তাদের লড়তে দিতে হবে। বিজেপি তাদের ৯টির বেশি আসন ছাড়তে রাজি নয়। এজেএসইউ এরইমধ্যে ১২টি আসনে তাদের প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করে দিয়েছে। ৪টি আসনে তারা প্রার্থী দিয়েছে বিজেপির বিরুদ্ধে। এই আসনগুলো হল—সিমারিয়া, সিন্দারি, মান্ডু ও চক্রধরপুর।মহারাষ্ট্রে ভাঙনের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের এনডিএ-তে (বিজেপি নেতৃত্বের জোট) ভাঙনের ইঙ্গিত। এলজেপি যেমন ঘোষণা করেছে ঝাড়খণ্ডে এবার তারা ৫০টি আসনে একাই লড়তে চায়। অথচ বিজেপির কাছে তাদের দাবি ছিল মাত্রই ৫টি আসন। তাদের যুক্তি ছিল, এই ৫টি আসনে বিজেপির ফল খারাপ হয়েছিল। বিজেপি তাতে রাজি হয়নি। 

No comments:

Post a Comment

loading...