Thursday, 7 November 2019

ভালো দিকে নয় খারাপ দিকে চীনকে টপকাচ্ছে ভারত

ওয়েব ডেস্ক ৭ই নভেম্বর ২০১৯: কোনো ভালো কাজে চীনকে টেক্কা দিয়েছে ভারত এমন কোনো নজির এখনো মোদী সরকার দেখাতে পারেনি , কিন্তু খারাপ  দিকে টেক্কা দিয়েছে । প্রসঙ্গত রাজধানীতে দূষণের মাত্রা এতটাই বেশি যে দিল্লিবাসীরা অন্যত্র চলে যেতে চাইছেন। কেননা ধোঁয়া এবং কুয়াশার মেশার ফলে পরিস্থিতি ক্রমেই এতটা জটিল হয়ে পরছে যার ফলে সাধারণ মানুষ আজ স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিতে পারছে না। আজ এই বিষয়টা কেবলমাত্র কোন দেশের পরিপ্রেক্ষিতে নয় সমগ্র বিশ্বের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয়। বর্তমানে ভারতের উত্তরাংশ এই চূড়ান্ত রকমের দূষণের সঙ্গে লড়াই করে চলেছে। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক সমগ্র এশিয়া মহাদেশে বায়ুদূষণের হার ঠিক কি রকম।বায়ুদূষণের দিক থেকে দেখতে গেলে বেইজিং উপরের দিকে থাকলেও পরিসংখ্যার দিক থেকে ভারত এবং পাকিস্তানের বায়ুদূষণের হার বেশ বেশি। অর্থাৎ দেখতে গেলে দক্ষিণ এশিয়াতে পরিবেশ দূষণের হার অন্যান্য দেশের থেকে ওপরে। আইকিউ এয়ারভিশুয়ালের করা গবেষণা অনুযায়ী বিশ্বের ৩০টি দূষিত শহরের মধ্যে ভারতেরই ২২টি রয়েছে। এছাড়া বাকি আটটি শহর রয়েছে পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং চীনে। তবে বেইজিংয়ের স্থান রয়েছে একশ ২২ নম্বরে।
বিশ্বের সব থেকে দূষিত রাজধানীর মধ্যে উপরেই রয়েছে দিল্লি। বর্তমানে দিল্লির আশেপাশের রাজ্যের শস্য পোড়ানোর ফলে দিল্লিতে দূষণের পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল আকার ধারণ করেছে। পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে যায় দিল্লি সরকারকে স্কুলের ছুটি বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।প্রতি বছরের দূষণের ভিত্তিতে করা সমীক্ষাতে উঠে এসেছে এইরকম তথ্য। যা কপালে ভাঁজ ফেলে দেওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। শুধু তাই নয় দূষণের ভিত্তিতে করা একটি তালিকাতে তৃতীয় নম্বরে রয়েছে ভারত। আর সব থেকে নিচে রয়েছে থাইল্যান্ড।এখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে দূষণের কারণ নিয়ে। শহরাঞ্চলে বায়ু দূষণ হয় মূলত অতিরিক্ত ট্র্যাফিক, কলকারখানা থেকে বেড়িয়ে আসা ধোঁয়া এবং গাছ কেটে ফেলে শহরাঞ্চলের বিস্তারের ফলে। অন্যদিকে গ্রামাঞ্চলে দূষণ হয় অতিরিক্ত ফসল পোরানোর ফলে।
লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্সের সহকারী অধ্যাপক থমাস স্মিথ জানিয়েছেন, এই বিষয়টি বায়ু দূষণের ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চীন যে বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছে। কেননা চীনে চাষের ফসল পোরানোর বিষয় পুরোপুরিভাবে নিষিদ্ধ।

No comments:

Post a Comment

loading...