Sunday, 24 November 2019

সমুদ্রে তলিয়ে যাচ্ছে কপিল মুনির মন্দির, কেন্দ্র কাজের ছাড়পত্রই দিচ্ছে না

ওয়েব ডেস্ক ২৪শে নভেম্বর ২০১৯: কপিলমুনির মন্দিরের কাছে ভাঙছে সমুদ্রের পাড়। মন্দিরটি বঙ্গোপসাগর উপকূলে অবস্থিত। মন্দিরটির দিকে এগিয়ে আসছে সমুদ্রের জল । সম্প্রতি 'বুলবুল' নামের যে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হেনেছে তার কারণে ভাঙন আরো তীব্রতর হতে পারে। এই আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। চেন্নাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়াররা সমীক্ষা চালানোর পর এ কথা জানিয়েছেন।বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, অবিলম্বে ব্যবস্থা না নিলে অদূর ভবিষ্যতে সমুদ্রের গর্ভে তলিয়ে যেতে পারে কপিলমুনির মন্দির। সেটা আটকাতে গেলে প্রায় আড়াই কিলোমিটার জুড়ে কংক্রিটের দেওয়াল তুলতে হবে। ২০২০ সালের মধ্যেই সেই কাজ শেষ করতে হবে।রাজ্য নগরোন্নয়ন দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, মন্দির রক্ষা করতে যত দ্রুত সম্ভব সমুদ্রের ধার বরাবর কংক্রিটের দেওয়াল তোলার কাজ শুরু করতে চাইছে প্রশাসন। ম্যাকিনটস বার্ন লিমিটেড-কে দিয়ে ইতিমধ্যেই তার 'ডিপিআর' তৈরি করা হয়েছে। এতে খরচ হয়েছে প্রায় চার কোটি টাকা। কাজের জন্য চেন্নাই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ারদের সাহায্য নিয়েছে ওই সংস্থা। কপিলমুনির মন্দির সংলগ্ন সমুদ্রতটের চরিত্র বুঝতে নানা ধরনের পরীক্ষা চালানো হয়েছে। বাতাসের গতি এবং সমুদ্রের মতি বুঝতে বিভিন্নভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলেছে। তার ভিত্তিতেই সমুদ্র পাড়ের ক্ষয় রোধ করতে আড়াই কিলোমিটার জুড়ে উপকূল বরাবর কংক্রিটের দেওয়াল তোলার প্রস্তাব দিয়েছে দিয়েছে তারা। সেই মোতাবেক এই প্রকল্পের ডিপিআর বানানো হয়েছে।
নগরোন্নয়ন দপ্তরের এক কর্মকর্তা জানান, কপিলমুনির মন্দির বাঁচাতে তাঁরা যত দ্রুত সম্ভব পাড় সারাইয়ের কাজ শুরু করতে চাইলেও বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে উপকূলীয় আইন। মন্দিরটি বঙ্গোপসাগর উপকূলে অবস্থিত। ওই জায়গায় কোনও নির্মাণ করতে গেলে কেন্দ্রের অনুমতি বাধ্যতামূলক। জানা গেছে, কেন্দ্রীয় পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অধীন ন্যাশনাল কোস্টাল জোন ম্যানেজমেন্ট অথরিটি এই ছাড়পত্র দিয়ে থাকে। এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রের ছাড়পত্র না-আসায় কাজ শুরু করা যাচ্ছে না।

No comments:

Post a Comment

loading...