Sunday, 3 November 2019

এতো নিরাপত্তা থাকার সত্ত্বেও , কাশ্মীরি যুবকেরা কি করে বিপথে চালিত হচ্ছে তার কোনো উত্তর নেই সরকারের কাছে

ওয়েব ডেস্ক ৩রা   নভেম্বর  ২০১৯: ৩৭০ ধারা তুলে দিয়েছে কেন্দ্র সরকার , কিন্তু তার পরে কি ঘটতে পারে সে বিষয় কি কোনো 'হোম ওয়ার্ক ' করে রেখেছিল ? পরিস্থিতি যে ভাবে এগোচ্ছে ঘরের ছেলেরাই মরীচিকার পেছনে ছুটতে ছুটতে  অস্ত্র তুলে নিচ্ছে হাতে আর তাতেই  উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে নয়াদিল্লি।পুলওয়ামা থেকে হালের কুলগাম, প্রতিটি হামলায় স্থানীয় স্বাধীনতাকামী যুবকেরা জড়িত বলে দাবি করছে ভারতীয় পুলিশ। আর এটাই এখন দিল্লির সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।এদিকে ব্যাংককে প্রবাসী ভারতীয়দের অনুষ্ঠানে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাবি করেছেন, জম্মু-কাশ্মিরের বিশেষ মর্যাদাই ছিল সন্ত্রাস ও বিচ্ছিন্নতা ছড়ানোর মূল কারণ।
তাই নভেম্বরের প্রথম থেকে কাজ শুরু করেছেন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু-কাশ্মিরের উপরাজ্যপাল জি সি মুর্মু। কিন্তু বিশেষ মর্যাদা লোপের পরে সেনাবাহিনী ও আধাসামরিক বাহিনীর বাড়তি সদস্য মোতায়েন থাকা সত্ত্বেও স্বাধীনতাকামীদের হামলার ব্যাপারে উদ্বিগ্ন প্রশাসন।পুলওয়ামায় আধাসামরিক বাহিনীর কনভয়ে হামলাকারী তরুণ আদিল দার বা কুলগামে অবস্থানরত পশ্চিমবঙ্গের বাঙালি শ্রমিকদের হত্যার পিছনে থাকা হিজবুল মুজাহিদিন সংগঠনের আইজাজ মালিক, সকলেই স্থানীয়। গত তিন মাসে ভারতীয় নিরাপত্তাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে যে কয়েকজন স্বাধীনতাকামী যুবক নিহত হয়েছে তার ৮০ শতাংশই হল কাশ্মিরের স্থানীয় যুবক। ভারত-বিরোধিতাই হল এইসব তরুণদের একমাত্র লক্ষ্য ছিল। মূলত কাশ্মিরের দক্ষিণাঞ্চলে ঘর ছাড়তে শুরু করেছে স্বাধীনতাকামী যুবকেরা। গোয়েন্দাদের আশঙ্কা, এইসব যুবকদের অধিকাংশ নাম লিখিয়েছে স্বাধীনতাকামীদের দলে।এর থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সরকার কি কি পদক্ষেপ নিচ্ছে , তা জানতে চাইছে দেশের মানুষ।

No comments:

Post a Comment

loading...