Wednesday, 6 November 2019

দিলীপ ঘোষের করা মন্তব্যে যেরকম হাসি ঠাট্টা শুরু হয়েছে , তা যেন থামতেই চাইছেনা ।

ওয়েব ডেস্ক ৬ই নভেম্বর ২০১৯:কেউ বলছেন "এক ভরি গরুর গয়না বানাব", কেউ একজন দুধ বিক্রেতার ছবি দিয়ে মশকরা করে লিখেছেন 'এটি আসলে এক স্বর্ণকারের ছবি - দুধের ড্রাম নিয়ে তিনি সোনার দোকানে চলেছেন।'অনেকে বলেছেন 'বাংলায় আবার একটি নোবেল আসতে চলেছে।'
কেউ আবার গরুর গায়ে হাত বুলিয়ে দেওয়ার ছবি পোস্ট করে ক্যাপশন দিয়েছেন 'যাতে আরও একটু বেশি সোনা দেয়, সেই চেষ্টা।'মঙ্গলবার সকাল থেকে সোনা আর গরুর দুধ নিয়ে এধরণের পোস্টে ফেসবুক ছেয়ে গেছে।কারণটা ভারতীয় জনতা পার্টির পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সভাপতি ও লোকসভার সদস্য দিলীপ ঘোষের একটি মন্তব্য।সোমবার তিনি বর্ধমান জেলায় একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে মন্তব্য করেছিলেন, "ভারতীয় গরুর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তার দুধের মধ্যে সোনার ভাগ থাকে। সেজন্য ওই দুধের রঙ একটু হলদে হয়।"
দিলীপ বাবু  ব্যাখ্যাও করেছেন যে কীভাবে, 'গরুর দুধে সোনা মেশে।'"আমাদের দেশের গরুর যে কুঁজ থাকে, সেখানে স্বর্ণনাড়ি থাকে। সেখানে সূর্যের আলো পড়লে সেখান থেকে সোনা তৈরি হয়, তাই দুধের রঙ একটু হলদে - সোনালী হয়," ব্যাখ্যা দিয়েছেন মি। ঘোষ।এই বৈশিষ্ট্য শুধু দেশি গরুরই থাকে, বিদেশি গরুর থাকে না। কারণ, দিলীপবাবুর কথায়, "বিদেশি গরুর কুঁজ থাকে না। মোষের মতো সমান হয় তাদের পিঠ।" ।তার বক্তব্যের ভিডিওটি গণমাধ্যমে আর সামাজিক মাধ্যমে দেখানো হচ্ছে।

মঙ্গলবার তিনি বিবিসিকে বলেন, "আমাদের পুজোতে দেশি গরুর দুধ-ঘি-দই লাগে। বিদেশি গরুর দুধ কাজে লাগে না পুজোয়। আর বিদেশি গরু হাম্বা করে আওয়াজও করে না। তাই ওগুলো গরুই নয়।"

"আমি একটু মজা করেই বলেছিলাম, আমাদের দেশি গরু হচ্ছে গোমাতা আর যেহেতু ওগুলো বিদেশি, তাই ওদের আন্টি বলা যেতে পারে।"

এই মন্তব্যের পরেই মঙ্গলবার সকাল থেকে সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয় মশকরা। 

No comments:

Post a Comment

loading...