Monday, 9 December 2019

দেশের আইনের প্রতি ধৈর্য্য না ধরে , পুলিশি এনকাউন্টারের তীব্র বিরোধটা করলেন মমতা

ওয়েব ডেস্ক ৯ই ডিসেম্বর ২০১৯:  আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়াটা কখনোই কাম্য নয় ।হতে পারে দেশের আইনের প্রক্রিয়াটা শ্লথ , তার মানে এই নয় আইনকে স্বামী রেখে কেউ সেই আইনই নিজের হাতে তুলে নেবেন ।তেলেঙ্গানা পুলিশ বলছে অভিযুক্তরা পালতে গিয়ে বিপত্তি ঘটিয়েছে , যার জন্য পুলিশকে গুলি চালাতে হলো ।কিন্তু এই ব্যাপারে প্রচন্ড ক্ষুদ্ধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।এর বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী ।তিনি বলেন, নারীদের ওপর যে কোনো ধরনের অত্যাচার যেমন তিনি সহ্য করেন না, তেমনই আইন নিজের হাতে তুলে নেয়াকেও সমর্থন করেন না।

তরুণী চিকিৎসক হত্যাকাণ্ডে সাত থেকে ১০ দিনের মধ্যে চার্জশিট দেয়ার দাবি জানান  মমতা। এছাড়া উন্নাও ধর্ষণকাণ্ডে নির্যাতিতাকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টার ঘটনা নিয়েও প্রশ্ন তুলেন মুখ্যমন্ত্রী।
গত ২৭ নভেম্বর হায়দরাবাদের সামশাবাদ এলাকায় তরুণী চিকিৎসককে গণধর্ষণ করে খুন করা হয়। শুক্রবার ভোরে অভিযুক্ত চার জন পালানোর চেষ্টা করলে গুলি করে হত্যা করে দেশটির পুলিশ।
এ ঘটনায় ভারতে তোলপাড় শুরু হয়। পক্ষে-বিপক্ষে নানা মত উঠে আসে।
শুক্রবার বি আর অম্বেডকরের মৃত্যুবার্ষীকিতে মেয়ো রোডের একটি অনুষ্ঠান যোগ দিয়ে সেই ঘটনা নিয়েই মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতাও।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এটা আইন নয়, যে আইনকে আমি নিজের হাতে তুলে নিলাম। আইন এটাই, পুলিশ তার কাজ করবে, আদালতে পেশ করবে। বিচারক বিচারকের কাজ করবেন।’পুলিশের প্রতি কড়া নির্দেশ দিয়ে মমতা বলেন, ‘এই ধরনের ঘটনা ঘটলে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করে দ্রুত চার্জশিট দিতে হবে। যত দ্রুত সম্ভব। তিন থেকে ১০ দিনের মধ্যে। কাগজপত্র জোগাড় করতে হবে।’হায়দরাবাদের এই ঘটনার আগের দিনই আবার উন্নাও ধর্ষণকাণ্ডে নির্যাতিতাকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ ওঠে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে।নারীদের ওপর অত্যাচার প্রসঙ্গে মমতা বলেন, ‘আমি কোনো নারীর ওপর অত্যাচার সহ্য করি না। হায়দরাবাদ ও উন্নাওয়ের ঘটনা আমাকে নাড়া দিয়েছে। উন্নাওয়ের কেসটা জানত সবাই। তার পরেও কীভাবে তাকে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা হলো।’ ,  

No comments:

Post a Comment

loading...