Monday, 2 December 2019

নাশকতার জন্য সাউথ ব্লকই প্রথম টার্গেট জইশ-ই-মোহাম্মদের

ওয়েব ডেস্ক ২রা  ডিসেম্বর ২০১৯:দিল্লি ও উত্তরপ্রদেশের বিভিন্ন এলাকায় আবারও বড় ধরনের নাশকতার ঘটনা ঘটতে পারে। এমনটাই আশঙ্কা করেছে  জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সংস্থা জানিয়েছে, পাকিস্তানের কুখ্যাত সন্ত্রাসবাদী সংগঠন জইশ-ই-মোহাম্মদ দিল্লি এবং দিল্লির আশপাশে এলাকায় নাশকতা ঘটাতে পারে। দিল্লির সাউথ ব্লক ও কেন্দ্রীয় দফতরই হল প্রথম টার্গেট। জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার দেওয়া চার্জসিটে জেম-র বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। সেখানে বলা হয়েছে, দিল্লি সিভিল লাইনস, বিকে দত্ত কোলোনি, কাশমেরে গেট, লোধি এস্টেট, মান্ডি হাউজ, গাজিয়াবাদের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে বড়সড় নাশকতার ঘটনা ঘটতে পারে।প্রধাণত ভার্চুয়াল নম্বর থেকে নিজেদের সদস্যদের মধ্যে নাশকতার ছক, জায়গার নাম আদানপ্রদান করছে এই সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের নেতারা। ভারতের সিমকার্ডের জন্য সদস্যদের সকলের ফটো আইডি থাকাটা জরুরি করা হয়েছে ওই সংগঠনের। স্মার্টফোনের মধ্যে অ্যাপ ডাউনলোড করে ইউজাররা সাইন আপ করেই নেটওয়ার্কের মধ্যে প্রবেশ করছে। হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, টুইটার ও মেইলের মতো অ্যাপ ডাউনলোড করে যোগাযোগ রাখছে তারা।
এনআইএ চার্জশিটে আরও জানানো হয়েছে, জেম সদস্য সাজাদ আহমেদ খান, তনভির আহমদ গনি, বিলাল আহমদ মীর ও মুজাফ্ফর আহমদ ভাটের বিরুদ্ধে দিল্লি আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মার্চে পুরনো দিল্লি থেকে সাজাদকে গ্রেফতার করে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল। চার্জশিটে এমনও বলা হয়েছে, পরবর্তী নাশকতার ঘটনায় আত্মঘাতী বোম্বাল হতে চেয়েছে জেম সদস্য বিলাল। পুলওয়ামা হামলার মাস্টারমাইন্ড মুদাসির আহমদের সঙ্গে প্রতিদিনই যোগাযোগ ছিল ওই চারজনের। পুলওয়ামা কাণ্ডের পর মুদাসিরের কাছে পরবর্তা হামলার জন্য নিজেকে আত্মঘাতী বোমাব্রা হওয়ার আর্জি জানিয়েছিল বিলাল।

কীভাবে ভার্চুয়াল দুনিয়াকে কাজে লাগিয়ে নাশকতার কাজকর্ম চালাতো আহমদ তা চার্জশিঠে উল্লেখ করেছে এনআইএ। সম্প্রতি দেশে  নাশকতার কাজে যুক্ত করা হয়েছে সন্ত্রাসবাদী কারি মুফতি ইয়াসিরকে। পরবর্তী হামলার জন্য কাশ্মীরি যুবকদের ট্রেনিং, নিযুক্ত করা ও মোটিভেট করার কাজ চালানো হচ্ছিলো ।

No comments:

Post a Comment

loading...