Friday, 31 January 2020

ভারত আত্মবিশ্বাসী , বাংলাদেশকে নাগরিকত্ব সংশোধনীর বিষয়ে বোঝাতে পেরেছে , সত্যিই কি

ওয়েব ডেস্ক ৩১ শে  জানুয়ারী  ২০২০ :গত ১১ ডিসেম্বর  পার্লামেন্টে নতুন নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাস হওয়ার পর দেশের ভেতরে যেমন তীব্র বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ শুরু হয়েছে, তেমনি প্রতিবেশি বাংলাদেশের সঙ্গেও কূটনৈতিক সম্পর্কে একটা অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। বিশেষত ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ যেভাবে ভারতের পার্লামেন্টে বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশে এখনও নরসংহার থামেনি বলেই এই বিল আমাদের আনতে হয়েছে’ – সেটাও ঢাকাকে কোনও ইতিবাচক বার্তা দেয়নি। অমিত শাহের মন্তব্যের পর পরই বাংলাদেশের অন্তত তিনজন মন্ত্রী তাদের পূর্বনির্ধারিত ভারত সফর বাতিল করেন বা পিছিয়ে দেন। এদের মধ্যে ছিলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী একে আবদুল মোমেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম।তবে গত সপ্তাহে ‘গাল্ফ নিউজ’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে প্রথম মুখ খোলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি পরিষ্কার জানান, কেন ভারত এই নাগরিকত্ব আইন আনতে গেল সেটা তিনি বুঝতে পারছেন না। ‘এটা সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় ছিল’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।




বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যের পর বিষয়টি নিয়ে প্রথম বারের মতো প্রতিক্রিয়া জানালো ভারত। বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে এই সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে মুখপাত্র রবীশ কুমার বলেন, ‘কেন এই (নাগরিকত্ব) আইন আমাদের আনতে হয়েছে – এই ব্যাপারে আমাদের অবস্থান কী – সেটা কিন্তু আমরা বাংলাদেশ সরকারের কাছে ব্যাখ্যা করেছি।’ তিনি বলেন, ‘পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী হাসিনার সাক্ষাৎকারের সেই অংশটির দিকেও আপনাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করব, যেখানে তিনি বলেছেন ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্ক শ্রেষ্ঠ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। দুই দেশের সম্পর্ক আগে কখনও এতটা ভালো ছিল না।’ তিনি বলেন, ‘আর এটাও বলব, তার বক্তব্যের পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে আসা নানা বিবৃতির দিকেও আমাদের নজর পড়েছে, যেখানে তারা পরিষ্কার বলেছেন এই নাগরিকত্ব আইন পুরোপুরি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়’।

No comments:

Post a comment

loading...