Saturday, 22 February 2020

সবাইকে কাঁদিয়ে চলে গেলেন কৃষ্ণাদি

ওয়েব ডেস্ক ২২ শে ফেব্রুয়ারী ২০২০ :প্রয়াত শিক্ষাবিদ ও প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ কৃষ্ণা বসু। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। অসুস্থতার দরুণ গত কয়েকদিন ধরেই কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। সেখানেই এদিন সকলে জীবনাবসান হয় তাঁর।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, দুপুরে কৃষ্ণা বসুর দেহ নিয়ে যাওয়া হবে তাঁর বাড়িতে। এরপর তা আনা হবে নেতাজি ভবনে। সেখানেই তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে পারবেন অনুরাগীরা। বিকেলে কেওড়াতলা মহাশ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে ।২৬ জানুয়ারি ১৯৩০ সালে ঢাকা শহরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তাঁর স্বামী ছিলেন সুভাষচন্দ্র বসুর বড় ভাই শরত্‍চন্দ্র বসুর পুত্র শিশির বসু। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যের উপর এম এ পাশ করেন। ৪০ বছর ধরে সিটি কলেজে ইংরেজি সাহিত্যে অধ্যাপনা করেছেন তিনি। পরবর্তীতে আট বছর সামলেছেন সিটি কলেজের অধ্যক্ষ পদও।
যাদবপুর কেন্দ্র থেকে তৃণমূল সাংসদ নির্বাচিত হয়েছিলেন কৃষ্ণা বসু। পর পর তিনবার ওই কেন্দ্র থেকেই জয় পান তিনি। ১৯৯৬ সালে কংগ্রেসের টিকিটে জয়লাভ করেন কৃষ্ণা হসু। পরে ১৯৯৮ ও ৯৯ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে ভোটে জিতে লোকসভায় যান তিনি। বিদেশ বিষয়ক কমিটির চেয়ারপার্সন পদেও ছিলেন বাংলার এই সাংসদ। কৃষ্ণা বসুর মৃত্যুতে বাংলার রাজনীতিতে শোকের ছায়া।কৃষ্ণা বসুর প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। টুইটে তিনি লিখেছেন, ‘এক ভালবাসার মানুষকে হারালাম। তাঁর আকস্মিক চলে যাওয়ায় বাকরুদ্ধ এবং শোকাহত। নেতাজি পরিবারের সদস্য ছাড়াও তিনি ছিলেন সমাজ সংস্কারক, কবি এবং বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ। তৃণমূল পরিবারের কাছে মায়ের মতো ছিলেন তিনি। বাংলার সংস্কৃতি এবং সমাজে তাঁর অবদান অনস্বীকার্য। ‘

No comments:

Post a comment

loading...