Wednesday, 11 March 2020

স্বাধীন ভাবে কাজ করার শর্ততেই জ্যোতির আগমন বিজেপিতে, কংগ্রেসে সেই বাম জমানার ছায়া

ওয়েব ডেস্ক ১১ ই  মার্চ ২০২০ : বাম জমানার শেষ দিকে "প্যারালাল সরকার" চলছিল এই বাংলায়। এক যারা সরকার এবং সিপিএমের পক্ষে ।দ্বিতীয়ত যারা সিপিএমকে ভোট দিতো ঠিকই কিন্তু সিপিএমের কাজে সন্তুষ্ট একেবারেই ছিল না । অনিল বিশ্বাস বেঁচে থাকা অবস্থায় ঠেকনা দিয়ে রেখেছিলেন কিন্তু পরলোক গমন করার পর অন্তর দলীয় কোন্দল ব্যাপক ভাবে প্রকাশ পায়, নিচুতলায় । ওপর তলার কমরেডরা  সব কিছু দেখেও না দেখার ভাণ করে এড়িয়ে যায় আর মমতার উত্থান আলিমুদ্দিন কে হারের মুখ দেখাতে বাধ্য করে ।এবার কংগ্রেসও কি সেই পথে এগোচ্ছে বঙ্গ সিপিএমের মতন ? সব কিছু জেনেও না জানার ভাব ?হয়তো তাই আজ জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকেও দল পরিপোর্টোন করে বিজেপির আশ্রয়ে যেতে হলো ।প্রসঙ্গত কংগ্রেসের সঙ্গে ১৮ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করে অবশেষে বিজেপিতে যোগ দিলেন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া। তার বাবাও দীর্ঘদিন কংগ্রেসে ছিলেন।
১৫ মাস আগে মধ্যপ্রদেশে ক্ষমতায় এসেছে কংগ্রেস, এর মধ্যেই ২১ জন বিধায়ক নিয়ে তার দলত্যাগ কংগ্রেসকে বিপদে ফেলে দিয়েছে। আজ দুপুর সাড়ে ১২টায় বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কথা থাকলেও তা পিছিয়ে দুপুর ২টায় করা হয়।জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়াকে রাজ্যসভায় প্রার্থী করা হতে পারে, এবং খুব শীঘ্রই তা জানাতে পারে বিজেপি, পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাতেও সামিল করা হতে পারে তাকে।
মঙ্গলবার, দেশজুড়ে হোলির দিনেই, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাড়িতে যান তারা। বৈঠকের কিছুক্ষণ পরেই, সোনিয়া গান্ধীকে লেখা চিঠি টুইট করেন তিনি।এরআগে কংগ্রেস সভাপতি সোনিয়া গান্ধীর কাছে মঙ্গলবার পদত্যাগপত্র জমা দেন সিন্ধিয়া। পদত্যাগপত্রে তিনি লিখেন, গত ১৮ বছর ধরে ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের একনিষ্ঠ কর্মী হিসাবে কাজ করেছেন। কিন্ত এখন সময় এসেছে কংগ্রেস ছাড়ার।

গত এক বছর ধরে কংগ্রেসের অন্দরে যে টালমাটাল অবস্থা চলছে সেই টালমাটাল অবস্থার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই দলের ভিতরে থেকে রাজ্য এবং দেশের মানুষের জন্য কিছু করা সম্ভব নয়। তাই নতুনভাবে শুরু করতে চাই।    

No comments:

Post a comment

loading...