Wednesday, 22 April 2020

যোগীর কালে উত্তর প্রদেশ পুলিশের মধ্যেই কোনো মতের মিল নেই

ওয়েব ডেস্ক ২২ শে এপ্রিল ২০২০:লকডাউন পরিস্থিতিকে কার্যকরী করতে দেশে পুলিশ বাহিনীর ভূমিকাই মুখ্য। তাই বিভিন্ন এলাকায় ব্যারিকেড করে প্রহরায় রয়েছে পুলিশ। এই প্রহরা নিয়েই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটল উত্তরপ্রদেশের সিতাপুরে। ঠিকমতো দায়িত্ব পালন করুন, এই নির্দেশ দিতে গিয়ে মারমুখী হেড কনস্টেবলের  লাঠির ঘায়ে গুরুতর আহত সিনিয়র সাব ইন্সপেক্টর। পদস্থ পুলিশকর্তাকে লাঠিপেটা করছে কনস্টেবল এই ভিডিও ভাইরাল হতে সময় নেয়নি। মারধরের ভিডিও দেখেই ছড়ায় চাঞ্চল্য। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইতিমধ্যেই অভিযুক্ত হেড কনস্টেবলকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় এফআইআর দায়ের হয়েছে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার উত্তরপ্রদেশের সিতাপুরে।
এই প্রসঙ্গে সিতাপুরের পুলিশ সুপার এলপি কুমার জানিয়েছেন, মারধরের ঘটনাটি ঘটেছে স্থানীয় কোতোয়ালি নগরের আরএমপি তিন মাথায়। আক্রান্ত সিনিয়র সাব ইন্সপেক্টর হলেন রমেশ চৌহান। অভিযুক্ত কনস্টেবল রামাশ্রে। কনস্টেবল রামাশ্রে  লকডাউনের ঠিক মতো নজরদারি করছে না। তাই প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিচ্ছিলেন সিনিয়র ইন্সপেক্টর রমেশ চৌহান। অভিযোগ, তখনই তাঁর উপরে চড়াও হয় রামাশ্রে। এই নির্দেশ পেয়েই রেগে যায় রামাশ্রে, লাঠি নিয়ে রমেস চৌহানকে এলোপাথাড়ি মারতে শুরু করে। প্রত্যক্ষদর্শীদের কেউ মারধরের দৃশ্য মোবাইলবন্দি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছাড়তেই ভাইরাল হয়ে যায়।
জানা গিয়েছে, কোতোয়ালি নগর থানা এলাকার দায়িত্বে ছিলেন ইন্সপেক্টর রমেশ চৌহান। মঙ্গলবার সকালে রাউন্ডে বেরিয়ে তিনি দেখেন একটা টেয়ারে বসে আরমা করছে কনস্টেবল রামাশ্রে। তখন চৌহান রামাশ্রেকে ব্যারিকেড দেওয়া এলাকায় নজরদারির নির্দেশ দেন। নির্দেশ পেয়েই আচমকা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে রামাশ্রে। হাতের লাঠি তুলে রমেশ চৌহানকে মারতে শুরু করে সে। মারধরের ভিডিও ভাইরাল হতেই কন্ট্রোল রুমে খবর যায়। পুলিশকে মারধরের অভিযোগে ওই দুর্বিনীত পুলিশ কর্মীর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট ২০০৫-এর আওতায় মামলা রুজু হয়। পুলিশ সুপার এলপি কুমার জানিয়েছেন, অভিযুক্ত রামাশ্রের বিরুদ্ধে ডিপার্টমেন্টের তরফেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হয় তাকে বরখাস্ত করা হবে, তাহলে পদমর্যাদা থেকে নামিয়ে দেওয়া হবে।

No comments:

Post a Comment

loading...