Sunday, 24 May 2020

সোমবার থেকেই বিমান পরিষেবা শুরু হচ্ছে , তীব্র প্রতিক্রিয়া বাংলা সহ তিন রাজ্যের

ওয়েব ডেস্ক ২৪ শে মে ২০২০: গত ২৫ মার্চ থেকে দেশজুড়ে জারি হয়েছে লকডাউন। তখন থেকেই বন্ধ রয়েছে সমস্ত বাণিজ্যিক বিমান পরিষেবা। দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আটকে পড়া মানুষগুলোর মধ্যে প্রায় অনেকেই এই বিমান পরিষেবা চালুর হওয়ার জন্যই অপেক্ষা করেছিলেন। এবার তাঁদের জন্যই সুখবর শোনাল অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক। ইতিমধ্যেই এই মন্ত্রকের তরফে জানা গিয়েছে সোমবার থেকেই দেশ জুড়ে চালু হবে বিমান পরিষেবা। যদিও এই সিদ্ধান্ত মানতে একেবারেই নারাজ বাংলা-সহ তিনটি বড় রাজ্য।
অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রকের তরফে আন্তর্দেশীয় বিমান চলাচলের সিদ্ধান্ত জানালে এর তাব্র বিরোধীতা করতে দেখা যায়, পশ্চিমবঙ্গ সহ মহারাষ্ট্র ও তামিলনাড়ু সরকারকে। মহারাষ্ট্রে করেনা পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। প্রতিদিন সেরাজ্যয়ে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। এখনও সেখানে পুরোপুরি ভাবে লকডাউনের বিধিনিষেধ পালন করা হচ্ছে। তাই এই পরিস্থিতিতে বিমান পরিষেবা সচল করার সিদ্ধান্ত যে বোকামো ছাড়া আর কিছুই না তা এদিন সাফ জানিয়ে দিলেন রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অনিল দেশমুখ। তাঁর কথায়, শুধুমাত্র থার্মান স্ক্রিনিং করে রাজ্যে যাত্রীদের ঢোকালে সমস্যা আরও বাড়বে। এমনকি বিমানবন্দরে এসে যাত্রীরা অটো, বাস এসবের অভাবে সমস্যায় পড়তে পারেন। একইপথে হেঁটে এদিন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী পালানিস্বামী কেন্দ্রের কাছে বিমান পরিষেবা চালু না করার জন্য আবেদন জানান। আমফান পরবর্তী পরিস্থিতিতে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ও বিমান পরিষেবা চালু করতে নারাজ। কিন্তু তাঁদের এই দাবি আদতেই কী গ্রহনযোগ্য হবে কেন্দ্র সরকারের কাছে! তবে অসামরিক বিমান পরিবহণ মন্ত্রক যেভাবে তার সিদ্ধান্তে অনড়, তাতে বিমান পরিষেবা চালু প্রসঙ্গে হয়তো এই রাজ্যগুলির সিদ্ধান্ত মানতে তারা রাজি হবেনা।
আগামী ৩১ মে শেষ হচ্ছে চতুর্থ লকডাউনের মেয়াদ। তারই মধ্য়ে ঘরোয়া বিমান পরিষেবা শুরু হতে চলেছে। তবে শুধুমাত্র ঘরোয়া বিমান পরিষেবা দিয়েই হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকবেনা অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রক। কিছুদিনের মধ্যেই যে আন্তর্জাতিক বিমান চালু হতে পারে এদিন ফেসবুক লাইভে এমনই ইঙ্গিত দিলেন হরদীপ সিং পুরী। যে সমস্ত প্রবাসী ভারতীয়রা লকডাউনের জন্য এদেশে আটকে পড়েছেন তাঁদের ফেরাতেই আন্তর্জাতিক বিমান চালু করতে হবে। করোনা আক্রান্তের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করেই জুনের শেষে কিংবা জুলাইয়ের শুরুতেই আন্তর্জাতিক বিমান পরিষেবা চালু করা হতে পারে। 

No comments:

Post a comment

loading...