Friday, 29 May 2020

'বুস্টার' বানাচ্ছে গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন,পড়ুন

ওয়েব ডেস্ক  ২৯শে মে ২০২০:গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন (জিএসকে) আগামী বছর নাগাদ কোভিড-১৯ শটগুলোর জন্য ভ্যাকসিন কার্যকারিতা বুস্টারগুলোর (অ্যাডজুভান্টস) ১০০ কোটি ডোজ উৎপাদনের পরিকল্পনা করছে। গত বৃহস্পতিবারই এ কথা জানিয়েছে বিশ্বের বৃহত্তম ভ্যাকসিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানটি।
যুক্তরাজ্যের এই প্রতিষ্ঠানটি ওষুধ উৎপাদনকারী বুস্টার বা অ্যাডজুভান্টস উৎপাদন সম্প্রসারণকে সমর্থন করার জন্য সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেছে, যা কোভিড -১৯-এর ভবিষ্যৎ ভ্যাকসিনের উৎপাদন বাড়িয়ে তুলতে সহায়তা করবে।

জিএসকের অ্যাডজুভান্টটি বর্তমানে বিশ্বজুড়ে করোনভাইরাস বিরুদ্ধে পরীক্ষা চলা সাতটি ভ্যাকসিনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হতে পারে।

প্রচলিত টিকার পদ্ধতিতে অ্যাডজুভান্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি সংক্রমণের বিরুদ্ধে শক্তিশালী এবং দীর্ঘস্থায়ী অনাক্রম্যতা তৈরি করতে পারে। অ্যাডজুভান্টসের কারণে একটি ভ্যাকসিনে প্রোটিনের কম ডোজ লাগে বলে বেশি ভ্যাকসিন উৎপাদন করা যায়।

তবে তাদের এই কর্মসূচির পেছনে কি পরিমাণ অর্থ ব্যয় হবে সেটি প্রকাশ করেনি জিএসকে। তারা বলেছে, তারা ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকায় উৎপাদনে যাবে এবং এ থেকে প্রাপ্ত মুনাফা তারা ভবিষ্যৎ মহামারি মোকাবিলার প্রস্তুতি হিসেবে গবেষণা কাজে খরচ করবে।

‘আমরা মনে করি, বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারি মোকাবিলায় একাধিক ভ্যাকসিনের প্রয়োজন হবে এবং আমরা তা করার জন্য বিশ্বজুড়ে অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করছি।’ জানান জিএসকে গ্লোবাল ভ্যাকসিনের প্রেসিডেন্ট রজার কনর।

সানোফির সঙ্গে সহযোগিতার পাশাপাশি চীনা বায়োটেক সংস্থা ক্লোভার বায়োফর্মাসিউটিক্যালস, শিয়ামেন ইনোভাক্স এবং অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জোটগুলোতে সহায়তা করেছে গ্লাক্সোস্মিথক্লাইন।

এদিকে অ্যাডজুভান্টস উৎপাদনের ঘোষণার পরপরই এই ওষুধ কোমম্পানিটির শেয়ারের দাম বেড়ে গেছে।

তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের ধারণা, করোনা ভ্যাকসিন তৈরি করতে এক বছরেরও বেশি সময় লেগে যাবে। সেই হিসাবে আগামী বছরের সেপ্টেম্বর নাগাদ এটি প্রস্তুত হতে পারে।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ১০০টির বেশি ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ চলছে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, এদের মধ্যে মাত্র ১০টির মতো ভ্যাকসিন মানুষের ওপর পরীক্ষার পর্যায়ে এসেছে।

No comments:

Post a comment

loading...