Thursday, 14 May 2020

এক দিকে করোনা সংক্রামণের ইতি টানা অন্য দিকে গ্রাহক টানা ,এখন এই দুই কৌশল নিয়ে ব্যস্ত শপিং মলের মালিকেরা

ওয়েব ডেস্ক ১৪ই  মে  ২০২০:করোনার জন্য গত ২৫ শে মার্চ থেকে বন্ধ সমস্ত দোকানপাট যানবাহনসহ শপিংমল গুলিও। একটি জায়গায় ফুড কোট, নিজের পছন্দের ব্র্যান্ডের দোকান , সিনেমা ইত্যাদি সকল কিছুই পেয়ে অভ্যস্ত শহরবাসী। কিন্তু এখন আর আগের মত নেই শহর। সবকিছুই বন্ধ। আর করোনা সংক্রমণ রুখতে আপাতত বন্ধ রাখা হবে শপিং মল। ভবিষ্যতে খুললেও কিভাবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা যায় তা নিয়ে ভাবছেন মল কর্তৃপক্ষ।
এমন অবস্থায় ঠিক কিভাবে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে মল খোলা যায় যাতে কিছুটা হলেও ক্ষতি কম হয় সেটা নিয়েই আলোচনা পর্ব চলছে। দিল্লির প্যাসিফিক মলের এক্সেকিউটিভ ডিরেক্টর অভিষেক বসনাল জানিয়েছেন সামাজিক দূরত্বের দিকেই মাথা ঘামাচ্ছেন তারা। একই সময় ঠিক কতজন মানুষকে একসাথে মলে ঢুকতে দেওয়া যাবে তাই খতিয়ে দেখছেন তারা।সিলেট সিটি ওয়াক এর সিইও এবং এক্সেকিউটিভ ডিরেক্টর যোগেশ্বর শর্মা জানিয়েছেন, অন্যান্য মল গুলি দোকান থেকে টাকা আদায় করলেও এই দুই মাসে তারা তাদের দোকানগুলি থেকে কোন রকম টাকা নেননি।
ডিএলএফ মলের এক্সেকিউটিভ ডিরেক্টর পুষ্পা বেক্টর জানিয়েছেন , মলের অ্যাপে প্রতি মুহূর্তে তারা আপডেট দিতে থাকছেন এবং দোকানগুলিতে বলা হয়েছে কোনো ভাবে যাতে লোকজন ঢুকতে না পারে সেদিকে কড়া নজর রাখতে। ফ্যাশন ব্যান্ডের দোকান গুলিকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে ট্রায়াল রুম তুলে দেওয়ার জন্য এবং রিটার্ন পলিসি ও করাকরি করার জন্য। ফুডকোট গুলিতে বলা হয়েছে প্রত্যেকটি টেবিল যেন ৬ ফুটের দূরত্বে রাখা হয়। তবে আপাতত কন্টাক্ট লেন্স শপিং এবং সার্ভিং এর ওপর নজর দেওয়া হচ্ছে। দিওয়ালি ও ক্রিসমাসের দিকেই তাকিয়ে আছেন বিক্রেতারা।

No comments:

Post a comment

loading...