Saturday, 9 May 2020

একাউন্টে ১৫ লাখ ঢোকেনি , এবার তো ঢুকুক না হলে বেকারত্বের সুনামি হবে বলেই মনে করেন রাহুল

ওয়েব ডেস্ক ৯ই  মে  ২০২০:একটানা লকডাউনে আয়-রোজগার বন্ধ হওয়ার মুখে ভারতের এক শ্রেণির মানুষের। আগামী দিনে এই পরিস্থিতি আরও ভয়ংকর হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন কংগ্রেস এমপি রাহুল গান্ধী। তার দাবি, এই দুঃসময়ে দরিদ্র মানুষের হাতে নগদ অর্থ তুলে দিতে না পারলে, ক্ষুদ্র, ছোট এবং মাঝারি শিল্পগুলোর পাশে না দাঁড়ালে আগামী দিনে ভারতে বেকারত্ব সুনামির আকার ধারণ করতে পারে।
দেশের  অর্থনীতিতে লকডাউন কী প্রভাব ফেলতে পারে, তার সমাধানই বা কী হতে পারে, তা নিয়ে গত কয়েক দিন ধরে অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়, রঘুরাম রাজনের মতো বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে দেখা গেছে রাহুলকে। এরপর শুক্রবার ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংবাদমাধ্যমের কাছে এমন মন্তব্য করেন রাহুল।

তার মতে, ১৭ মে লকডাউনের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা। সেখান থেকে কীভাবে বেরিয়ে আসা যায়, তা স্পষ্ট করতে হবে সরকারকে। তার কথায়, 'করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইটা শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে পরাজয় নিশ্চিত। বাকিদেরও ক্ষমতা হস্তান্তর করা প্রয়োজন।' রাহুলের মন্তব্য, ভারতের স্বার্থেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উচিত সবাইকে নিয়ে চলা। তিনি বলেন, 'এই সংকটের সময় শুধু একজন দৃঢ়চেতা প্রধানমন্ত্রী থাকলেই হবে না, দৃঢ়চেতা রাজনীতিক, মুখ্যমন্ত্রী এবং জেলা প্রশাসকও প্রয়োজন। রাজ্য, জেলা এবং পঞ্চায়েত পর্যায়েও দৃঢ়চেতা ও দেশপ্রেমী নেতার প্রয়োজন, যাতে একেবারে গোড়া থেকে সমস্যা নির্মূল করা যায়।'

লকডাউনের জেরে যাদের আয় বন্ধ হওয়ার জোগাড় হয়েছে, তাদের পাশে না দাঁড়ালে এই সংকট থেকে বেরোনো সম্ভব হবে না বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করে রাহুল। তিনি বলেন, 'লকডাউনের জেরে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। লকডাউনে অনেকের মধ্যে মানসিক পরিবর্তন এসেছে, সুইচ অন বা অফ করে যা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। এই মুহূর্তে করোনা নিয়ে আতঙ্কে রয়েছে মানুষ। তাদের সাহস জোগাতে হবে।'

রাহুলের মতে, করোনা পরবর্তী কর্মসংকট রুখতে পরিযায়ী শ্রমিক, দরিদ্র মানুষ এবং ক্ষুদ্র, ছোট ও মাঝারি শিল্পগুলোকে অর্থনৈতিক সহায়তা জোগানো প্রয়োজন। এ নিয়ে গড়িমসি করলে দেশে বেকারত্ব সুনামির আকার ধারণ করবে।'

No comments:

Post a comment

loading...