Friday, 5 June 2020

স্ত্রী মধুমিতাই খোলসা করলেন , অনির্বানবাবু কোনো ভাবেই কর্মী ছাঁটাইয়ের ব্যাপারটা মেনে নেননি

ওয়েব ডেস্ক ৫ই   জুন  ২০২০:সাবেকি সংবাদপত্র বা বৈদ্যুতিন মাধ্যমে প্রকাশিত কোনও খবর নয়, গত ৫-৬ দিন ধরে রাজ্যে অন্যতম চর্চার বিষয় সংবাদমাধ্যমের খবর!
মে মাসে শেষে আনন্দবাজার পত্রিকার সম্পাদকের পদ থেকে ইস্তফা দেন অনির্বাণ চট্টোপাধ্যায়। আচমকা ইস্তফার কারণ এবং তার আগের কিছু ঘটনা নিয়ে শুরু হয় নজিরবিহীন জল্পনা, গুজব।
এবার আনন্দবাজার পত্রিকার সদ্য প্রাক্তন সম্পাদকের স্ত্রী তথা আনন্দবাজার গোষ্ঠীরই প্রাক্তন কর্মী মধুমিতা চট্টোপাধ্যায় অনির্বাণ চট্টোপাধ্যায়ের ইস্তফার কারণ স্পষ্ট করলেন। ৩ জুন, বুধবার ফেসবুকে একটি পোস্ট করেন তিনি।
ফেসবুক পোস্টে  মধুমিতা চট্টোপাধ্যায় লেখেন, ‘ব্যবসা পোক্ত করতে ছাঁটাইয়ের বিরোধী ছিলেন অনির্বাণ। তাঁর অবস্থান ছিল, যতভাবে সম্ভব খরচ কমাও, ন্যূনতম বেতন যাতে সবাই পায় তা নিশ্চিত করো। এভাবে যাঁদের বেতন বেশি তাঁদের বেতন কাটো, কিন্তু অন্য কোনও উপার্জনের ব্যবস্থা না করে চাকরি থেকে কাউকে ছাঁটাই করো না, বিশেষ করে এই সময়ে। শুরু থেকেই এই অবস্থান ছিল আনন্দবাজার পত্রিকার সদ্য প্রাক্তন সম্পাদকের। অনির্বাণ চট্টোপাধ্যায়ের স্ত্রী লিখেছেন, ব্যক্তিগত আদর্শের সঙ্গে কখনও কখনও সাংগাঠনিক নীতির সংঘাত হয়। তারপর মধুমিতা লিখেছেন, আমি আবারও বলতে চাই, অনেক আগেই ইস্তফার ব্যাপারে মনস্থির করে ফেলেছিলেন অনির্বাণ চট্টোপাধ্যায়।
এরপর তিনি ফের লিখেছেন, কাকতালীয় ব্যাপার কিনা জানি না কিন্তু আনন্দবাজার পত্রিকায় ছাঁটাইয়ের বিষয়টি আবার সামনে চলে আসে অনির্বাণ চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদক পদে শেষ দিনের সপ্তাহখানেক আগে। যে ঘটনা অনির্বাণ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর পরিবারকে বিরক্ত করেছিল, কিন্তু তা চাকরিরই অঙ্গ। পাশাপাশি মধুমিতা চট্টোপাধ্যায় পোস্টে স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, অনির্বাণ চট্টোপাধ্যায়কে থানায় যেতে হয়নি, তাঁকে জেরা করা হয়নি এবং তাঁকে কোনও জায়গা থেকে চাপ দেওয়া হয়নি।

পড়ুন ফেসবুক পোস্টে কী লিখেছেন আনন্দবাজার পত্রিকার সদ্য প্রাক্তন সম্পাদকের স্ত্রী মধুমিতা চট্টোপাধ্যা।  

No comments:

Post a comment

loading...