Tuesday, 9 June 2020

২০২১এর বিধাসভার দামামা বাজিয়ে দিলেন অমিত শাহ।

ওয়েব ডেস্ক ৯ই   জুন  ২০২০:করোনার এই দুঃসময়েও অমিত শাহের মুখে আবারও সেই সিএএ বা সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের কথা শুনা গেল। করোনা মধ্যে অনেকে ভেবেছিলেন পশ্চিমবঙ্গে হয়তো বিজেপির রাজনৈতিক এজেন্ডা পাল্টে যেতে পারে। কিন্তু আজ মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গর জন্য ভার্চুয়াল জনসভায় সেই ভুল ভাঙালেন অমিত শাহ। এদিন তিনি ভার্চুয়াল সভায় সিএএ’র বিরোধিতা করার জন্য মমতা ব্যানার্জিকে তীব্র আক্রমণ করেন।
ভার্চুয়াল সভায় অমিত শাহ বলেন, ‘মমতা দিদি, মতুয়া, নমঃশূদ্র ও বাংলাদেশ থেকে যারা এদেশে শরণার্থী হয়ে এসেছেন তাদের নাগরিকত্ব পাওয়াকে কেন বিরোধিতা করছেন? তোষণের রাজনীতির জন্য সিএএ’র প্রতিবাদ করা হচ্ছে। উদ্বাস্তুদের নাগরিকত্বের সুবিধা মোদি সরকার দেবেই। ভোটে মমতা সরকারকেই উদ্বাস্তু করে দেবে বাংলার মানুষ।’

তিনি বলেন, শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দিয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। মমতাকে কার্যত ভয় দেখিয়ে অমিত শাহ বলেন, ভোটবাক্স খুললেই দেখতে পাবেন ভোটাররা আপনাকে বাংলায় রাজনৈতিক শরণার্থী করে দিয়েছে।

করোনা ও সাইক্লোন আম্ফানের পর যেহেতু অমিত শাহের এই সভা ছিল অনেকেই আশা করেছিলেন, তিনি নিজের বক্তব্যে মোদি সরকার কিভাবে পশ্চিমবঙ্গকে সাহায্য করবে, তা নিয়ে কিছু দিশা দেখাবেন। কিন্তু শাহের বক্তব্য ছিল পুরোটাই রাজনৈতিক এবং তার কেন্দ্রে ছিল মমতাকে আক্রমণ। তিনি বলেন, যে বাংলা সবধর্ম সমন্বয়ের প্রশ্নে যুগ যুগ ধরে সারা দেশকে দিশা দেখিয়েছে, সেখানে এখন তোষণের রাজনীতি চলছে। ভোটব্যাংকের রাজনীতি করতে গিয়ে বাংলার গর্ব ধুলোয় মিশেছে।

তোষণের রাজনীতি বলতে বিজেপি চিরকাল মমতার বিরুদ্ধে মুসলিম দর্শনের অভিযোগ এনেছে। আজ শাহর বক্তব্যে আবার বোঝা গেল যে সেই অভিযোগগুলো আরো বেশি করে আগামী দিনগুলোতে তোলা হবে।

‘২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার ভোট। মমতার সিএএবিরোধিতা এবং মুসলিম তোষণের কথা বলে শাহ বিভাজনের রাজনীতির শুরু করে দিলেন।’ বলছিলেন এক রাজনৈতিক বিশ্লেষক।

No comments:

Post a comment

loading...