Monday, 3 August 2020

নেপাল এবার তাদের মানচিত্র জাতি সংঘ ও গুগলের কাছে পাঠাচ্ছে

ওয়েব ডেস্ক ৩রা  অগাস্ট ২০২০: ভারত ও নেপালের মধ্যকার সম্পর্কে তিক্ততা দিনকে দিন বাড়ছে। সেই তিক্ততা সহজে মিটছে না। কারণ কালাপানি, লিপুলেখ ও লিম্পিয়াধুরাকে নিজেদের দাবি করে যে মানচিত্র প্রকাশ করেছিল নেপাল, সেটির ইংরেজি সংস্করণ জাতিসংঘ ও গুগলের কাছে পাঠাচ্ছে দেশটি।
নেপালের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের বরাত দিয়ে ভারতের ‘ইন্ডিয়া টুডে’র খবরে এসব কথা বলা হয়েছে।
নেপালের সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, ইংরেজিতে নতুন মানচিত্র ইতিমধ্যেই প্রকাশ করেছে নেপাল। ওই মানচিত্র পাঠানো হচ্ছে জাতিসংঘ ও গুগলের কাছে। ইন্টারনেটে ও বিশ্ব মানচিত্রে নেপালের ওই মানচিত্র সবাই যেন হাতে পান, সে জন্যই এ উদ্যোগ নিয়েছে নেপাল। গতকাল শনিবার এ কথা জানান নেপালের ভূমি ব্যবস্থাপনাবিষয়ক মন্ত্রী পদ্মা আরিয়াল।
মন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে নেপালের সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে, শিগগিরই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে নেপালের সংশোধিত এই মানচিত্র পাঠানো হবে। ওই মানচিত্রে কালাপানি, লিপুলেখ এবং লিম্পিয়াধুরা নেপালের অন্তর্গত রয়েছে। তিনি আরও জানান, দ্রুতই একটি বইও নাকি প্রকাশ করবে নেপাল। সেখানেও এই তিনটি অংশকে নেপালের অংশ হিসেবেই দেখানো হয়েছে।

ইতিমধ্যেই ওই সংশোধিত মানচিত্রের ২৫ হাজার কপি ছাপানো হয়েছে। দেশের স্থানীয় ইউনিট, প্রাদেশিক বিভিন্ন সংস্থা ও অন্যান্য দপ্তরে পাঠানো হয়েছে সেই মানচিত্রের কপি। কালাপানি, লিপুলেখ ও লিম্পিয়াধুরা—এই তিনটি অংশকে নিজেদের বলে দাবি করে নতুন মানচিত্র প্রকাশ করে নেপাল সরকার। জাতীয় আইনসভায় সর্বসম্মতভাবে এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবও পাস করেছে নেপাল সরকার।

জুনেই নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছে নেপাল। আর সেই মানচিত্রে নেপালের অন্তর্গত হিসেবে দেখানো হয় লিপুলেখ, কালাপানি ও লিম্পিয়াধুরা এলাকাকে। কাঠমান্ডুর দাবি, ১৮১৬ সালে ইঙ্গ-নেপাল যুদ্ধের পর সুগলি চুক্তি অনুসারে লিম্পিয়াধুরা, কালাপানি এবং লিপুলেখ কোনোভাবেই ভারতের নয়।

No comments:

Post a comment

loading...