Thursday, 10 September 2020

বলার মতন আর কেউ নেই তাই অধীরেই ভরসা কংগ্রেসের

ওয়েব ডেস্ক ১০ই সেপ্টেম্বর ২০২০ :আবারও প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচিত হলেন অধীর চৌধুরী। দাপুটে নেতার উপরেই বাংলায় দলের দায়িত্ব ছাড়ল কংগ্রেস হাইকম্যান্ড। কয়েক সপ্তাহ আগেই প্রয়াত হন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা সোমেন মিত্র। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন সোমেনবাবু।


তাঁর আকষ্মিক প্রয়াণে পদটি ফাঁকা হয়। তারপর থেকেই নতুন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির নাম নিয়ে বিস্তর জল্পনা চলছিল। পাল্লা ভারী ছিল অধীরেরই। শেষমেশ লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতার চওড়া কাঁধেই বাংলায় দলের দায়িত্ব তুলে দিলেন সোনিয়া-রাহুলরা।

২০১৮ সলের পর ফের প্রদেশ কংগ্রেসের দায়িত্বে বহরমপুরের কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী। এই মুহূর্তে লোকসভাতেও কংগ্রেসের দলনেতা অধীরবাবু। সোনিয়া-রাহুলে আস্থাভাজন দাপুটে এই কংগ্রেস নেতা।

সোমেন মিত্রের প্রয়াণের পর থেকেই অধীর চৌধুরীকে ফের বাংলায় দলের দায়িত্বে আনা নিয়ে সরব হন কংগ্রেসের একাধিক নেতা। বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা তথা রাজ্য কংগ্রেসের অন্যতম শীর্ষ নেতা আবদুল মান্নান নিজেও অধীরের হয়েই সওয়াল করেছিলেন হাইকম্যান্ডের কাছে।


শেষমেশ অধীরের উপরেই বাংলায় দলের ভার ছাড়ল কংগ্রেস হাইকম্যান্ড। গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়ে রাজ্যে কংগ্রেসের দায়িত্ব দেওয়া হল অধীর চৌধুরীকে। সামনেই ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন।


বামেদের সঙ্গে সমঝোতা করে এরাজ্যে শাসক তৃণমূল ও বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছে কংগ্রেস। অধীরের সঙ্গে বরাবর সদ্ভাব বাম নেতাদের। সেই কারণেই অধীরকে দায়িত্ব দিলে সেই সমঝোতা আরও পোক্ত হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।


উল্টোদিকে, জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটে সোনিয়া-মমতা যতই কাছাকাছি আসুন, এরাজ্যে যুধুধান দুই পক্ষ। কেউ কাউকে এক ইঞ্চি জমিও ছড়াতে নারাজ। অধীর চৌধুরী বরাবরই তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোর সমালোচক।

একাধিক ইস্যুতে সুযোগ পেলেই তুলোধনা করে তৃণমূল সুপ্রিমোকে। এছাড়াও অধীর চৌধুরীর দাপুটে মেজাজ বাংলায় দলের নুইয়ে পড়া সংগঠন চাঙ্গা করতেও কাজে লাগবে বলে মনে করেছে কংগ্রেস হাইকম্যান্ড।

No comments:

Post a comment

loading...