Saturday, 5 September 2020

মদন মিত্রকে ফাঁসাতে গিয়ে তিন বিজেপি কর্মীই ফেঁসে গেলেন ঠাঁই শ্রীঘরে

ওয়েব ডেস্ক ৫ই সেপ্টেম্বর ২০২০ :রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই নোংরামি বাড়ছে রাজ্য বিজেপির। এবার রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী মদন মিত্রের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে স্টিং অপারেশন চালানোর অভিযোগ উঠল ৩জন বিজেপি কর্মীর বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই অবশ্য তাঁদের গ্রেফতার করেছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনজনই দাবি করেছে যে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষই তাঁদের সাংবাদিক সেজে মদন মিত্রের বিরুদ্ধে এই স্টিং অপারেশন চালাবার নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ এদের দাবির সারবত্তা খতিয়ে দেখছে বলেই জানা গিয়েছে।

 

ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার সন্ধ্যা বেলায়। মদনবাবুর বালিগঞ্জের বাড়িতে এই তিন বিজেপি কর্মী সাংবাদিকের পরিচয় দিয়ে তাঁর সাক্ষাৎকার নেওয়ার কথা জানায়। এমনকি তাঁরা তাঁদের নামও মিথ্যে বলেছিল। কিন্তু মদনবাবু তাঁদের আই কার্ড দেখাতে চাইলে তাঁরা তা দেখাতে পারেননি। সেই সময় মদনবাবুর বাড়ির লোকেরা ওই ৩জনকে আটকে তাঁদের তলাসশি নিতেই একজনের আই কার্ড বার হয়। যদিও সেটি কোনও সংবাদসংস্থার আই কার্ড নয়। সেটি ছিল প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টুডেন্ট আই কার্ড। সেখান থেকেই জানা যায় একজনের নাম অঙ্কন দত্ত। বাকি দুইজনের নাম সঞ্জয় চক্রবর্তী ও মৃণাল মুখার্জি। এরা সকলেই বেলঘড়িয়ার বাসিন্দা। তখনই এরা জানা য় যে এরা ৩জনই সক্রিয় বিজেপি কর্মী ও রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষের নির্দেশেই এই স্টিং অপারেশন চালাচ্ছিল।

 এরপরই মদনবাবু খবর দেন পুলিশকে। বালিগঞ্জ থানার পুলিশ মদনবাবুর বাড়িতে এসে এদের জিজ্ঞাসাবাদ করে গ্রেফতার করে, একই সঙ্গে এদের ৩টি মোবাইলও বাজেয়াপ্ত হয়। একই সঙ্গে এই ঘটনার জেরে মদনবাবু বালিগঞ্জ থানায় গিয়ে ওই ৩ যুবকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগও দায়ের করেন। তবে গতকাল রাতেই ওই ৩ যুবকের বাড়ির লোকেরা মদনবাবুর কাছে এসে এই ঘটনার জন্য ক্ষমাপ্রার্থনা করে যান। পুলিশ ইতিমধ্যেই এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। তবে দিলীপ ঘোষের নির্দেশ এমন কাজ হয়েছে বলে পুলিশ মনে করছে না। তাঁদের ধারনা বিপাকে পড়েই ওই ৩ যুবক রাজ্য বিজেপি সভাপতির নাম নিয়ে বাঁচার চেষ্টা করছে।

No comments:

Post a comment

loading...